33 C
Dhaka
রবি জুলাই ২১, ২০১৯, ১:০৩ অপরাহ্ন.
প্রচ্ছদ ব্লগ

বাজারে ন*কল দুধ তৈরিতে খরচ ৬ টাকা, বিক্রি ৬১ টাকায় !

বাজারে এমন খাবার খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে, যার মধ্যে কোনো ভে*জাল বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষ*তিক*র কোনো উপাদান মিশ্রিত নেই। বাজারে প্রতি লিটার ন*কল দুধ তৈরিতে সর্বমোট খরচ পড়তো ৫ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬.১৩ টাকা), আর বাজারে সেগুলো বিক্রি করা হতো ৪৫ থেকে ৫০ রুপিতে (৬১.৩১ টাকা)। পনিরের (নকল) দাম রাখা হতো প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ রুপি।

স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষ*তিকর ন*কল দুধ উৎপাদনের দায়ে ভারতে অন্তত ৫৭ জনকে আ*টক করেছে পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। শুক্রবার (১৯ জুলাই) মধ্য প্রদেশের গোয়ালিয়ার-চাম্বাল এলাকার তিনটি ন*কল দু*ধের কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আ*টক করা হয়।

পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, এ তিনটি কারখানায় তৈরি ক্ষ*তিকর ন*কল দুধ ও ন*কল দুধ তৈরির সরঞ্জাম দেশটির ছয়টি রাজ্য- মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে ও পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হতো।

এসটিএফ পুলিশ সুপার রাজেশ ভাদোরিয়া বলেন, অভিযানে ১০ হাজার লিটার ন*কল দুধ, ৫শ’ কেজি ন*কল মাওয়া (দুগ্ধজাত পণ্য) ও ২শ’ কেজি ন*কল পনির জ*ব্দ করা হয়েছে। ২০টি ট্*যাংকার ও ১১টি পিকআপভর্তি এসব ন*কল দুধ ও পণ্য জ*ব্দ করা হয়। এসময় ওইসব কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ তরল ডিটারজেন্ট, পরিশোধিত তেল ও গ্লুকোজ পাউডার উ*দ্ধার করা হয়।

কর্মকর্তারা জানান, প্রতি লিটার ন*কল দুধ তৈরিতে এর মধ্যে ৩০ শতাংশ দুধ, পরিশোধিত তেল, তরল ডিটারজেন্ট, সাদা রং ও গ্লুকোজ পাউডার মেশানো হতো। একই পদ্ধতিতে ন*কল পনির বা এ জাতীয় খাদ্যদ্রব্য তৈরি করা হতো, যা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বড় বড় মার্কেটগুলোতে  ও পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হতো।

অভিযানে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা জানান, কারখানা তিনটিতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই টানা কাজ চলতো। প্রতিদিন তারা প্রায় ২ লাখ লিটার ন*কল দুধ উৎপাদন করতো।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, পুলিশের বেশকিছু কর্মকর্তাও এ চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের চিহ্নিত করে শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে পুলিশ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

প্রিয়ার বিরুদ্ধে রা*ষ্ট্রদ্রোহি*তার অভিযোগে দুই মা*মলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নিজের দেশ সম্পর্কে ‘ভ*য়ংক*র’ অভিযোগ করা প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মা*মলা করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আলোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইয়েদুল হক সুমন।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে রা*ষ্ট্রদ্রো*হ মা*মলার আবেদন দায়ের করেন তিনি। বেলা ১১টার দিকে মা*মলাটি*র শুনানি শেষে আদালত পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গত শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ফেসবুকে লাইভে এসে মামলা করার কথা জানিয়েছিলেন ওই আইনজীবী। লাইভ ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিকট তিনি (প্রিয়া সাহা) যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন এটি সম্পূর্ণ রা*ষ্ট্রোদ্রো*হের সামিল। উনি বলেছেন প্রায় ৩ কোটি ৭০ লক্ষ মাইনরিটি মানুষকে নাকি গু*ম করে দেওয়া হয়েছে। বাকি যারা আছে তারাও নাকি গু*ম হওয়ার পথে। স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত যেখানে বলেছেন, সম্প্রদায়িত সম্প্রীতির দেশ হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের একজন নাগরিক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা জায়গায় গিয়ে দেশের ভামূ*র্তি ন*ষ্ট করার জন্য তিনি (প্রিয়া সাহা) যে বক্তব্য দিয়েছেন; একজন আইনজীবী হিসেবে আগামী রোববার আদালত খোলার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আমি রা*ষ্ট্রদ্রো*হ মা*মলা করবো।’

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউজে ধর্মীয় নি*পীড়*নের শি*কার হওয়া ১৯টি দেশের ২৭ জন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প। ওই সাক্ষাৎকালে ট্রাম্পের কাছে নিজের দেশ সম্পর্কে ‘ভ*য়ঙ্কর’ অভিযোগ করে প্রিয়া।

তিনি ট্রাম্পকে বলেন, ‘স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান বি*লীন হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই। সেখানে এখনো ১৮ ‍মিলিয়ন সংখ্যাল*ঘু মানুষ রয়েছে। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছাড়তে চাই না। শুধু থাকার জন্য সাহায্য করুন।’

ওই নারী আরও বলেন, ‘আমি আমার ঘরবাড়ি হা*রিয়েছি, তারা আমার ঘরবাড়ি জ্বা*লিয়ে দিয়েছে। তারা আমার জমিজমা দ*খল করে নিয়েছে। কিন্তু তারা (প্রসাশন বা সরকার) কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এখন পর্যন্ত।’

এ সময় ট্রাম্প ওই নারীকে প্রশ্ন করেন, ‘কারা জমি দ*খল করেছে, কারা ঘরবাড়ি দ*খল করেছে?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘তারা মুসলিম মৌ*লবাদি গ্*রুপ। তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পায়। সব সময়ই পায়।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

এরশাদের আসনে প্রার্থী নিয়ে আ’লীগ-জাপা দ্ব*ন্দ্ব

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর মৃ*ত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক প্রার্থী দিবে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, এই আসনে মহাজোটবদ্ধভাবেই নির্বাচন হবে।

শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে মহানগর যুবলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতেই জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর মৃ*ত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক প্রার্থী দিবে।

এ প্রসঙ্গে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা  বলেছেন, শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসন আমাদের দলীয় প্রধানের আসন। এখানে অতীতেও মহাজোটবদ্ধ নির্বাচন হয়েছে। উপ-নির্বাচনও মহাজোটবদ্ধভাবেই হবে ইনশাল্লাহ।

প্রার্থীতার ব্যপারে তিনি বলেন, পারিবারিক, রাজনীতিক দুটি বিষয়ই আছে প্রার্থীতা চূড়ান্তের তালিকায়। সেক্ষেত্রে প্রেসিডিয়াম বৈঠকেই মূল সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা এই আসনটিতে শিক্ষিত, মার্জিত, বিনয়ী এবং দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন একজন প্রার্থীকে চুজ করতে চাই। যে মানুষটি আমাদের স্যারের মতো সাধারণ মানুষ এবং নেতাকর্মীদের সব সময় খোঁজ খবর নিতে পারবেন। কারণ এই আসনটির এমপিকে ঘিরেই আমরা এরশাদ স্যারের জীবন কর্ম ও চেতনার সবার কাছে ছড়িয়ে দিয়ে জাতীয় পার্টিকে দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে যেতে চাই।

প্রসঙ্গত: গত ১৪ জুলাই সকালে মা*রা যান জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৬ জুলাই নজীরবিহীন বি*ক্ষোভে*র মুখে বনানী ক*বরস্থানে*র পরিবর্তে রংপুরের পল্লী নিবাসেই স*মাহি*ত করা হয় তাকে। এর মাধ্যমে শৃঙখলিত জীবিত এরশাদের বদলে মৃ*ত এরশাদকে মুক্ত জীবন্ত দাবী করে জাতীয় পার্টির উন্নত ভবিষ্যতের দাবি নেতাকর্মীদের। ওইদিনই সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ ই ম গোলাম কিবরিয়া আসনটি শূন্য হওয়ার গেজেট প্রকাশ করেন।

সংবিধান অনুযায়ী আগামী ১১ অক্টোবরের মধ্যে ওই আসনে উপ-নির্বাচন হবে। এরশাদের চির অবর্তমানে এই আসনটি জাতীয় পার্টির ঘরে রাখা এখন এখানকার নেতাকর্মীদের প্রধান এবং বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগও চাইছে আসনটি বাগিয়ে নিয়ে রংপুর অঞ্চলে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে। সূত্র: নয়া দিগন্ত

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে মিন্নির আইনজীবীর গো*পন বৈঠক!

বরগুনার চা*ঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হ*ত্যা মা*মলায় শুরু থেকেই আলোচনায় বরগুনা-১ আসনের সাংসদ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। এই হ*ত্যাকা*ণ্ডে তার ছেলে সুনাম দেবনাথের সং*শ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন সরাসরিই বলেছেন, নিজের ছেলে সুনাম দেবনাথকে বাঁ*চাতেই শম্ভু এই মা*মলায় প্র*ভাব খাটাচ্ছেন। সেই শম্ভুর সঙ্গেই গতকাল শনিবার রাতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন মিন্নির সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।

একটি সূত্র জানিয়েছে, গতকাল শনিবার রাত পৌনে দশটার দিকে বরগুনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান নান্টু এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী আসলামকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

সেসময় ওই কক্ষে শম্ভুর পুত্র সুনাম দেবনাথ ও বরগুনার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আক্তারুজ্জামান বাহাদুরও উপস্থিত ছিলেন। তারা কক্ষের ভেতরে প্রবেশের পর ভেতর থেকে সুনাম দরজা আটকে দেন।

আধা ঘন্টা বৈঠকশেষে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম, বারের সভাপতি আব্দুর রহমান নান্টু ও বরগুনার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আক্তারুজ্জামান বাহাদুর সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

শম্ভুর কার্যালয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলছেন, সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে সেখানে গিয়েছিলেন। শম্ভুও বলছেন, চা খেতে সেখানে গিয়েছিলেন মাহবুবুল বারী আসলাম।

তবে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন এ ঘটনায় ক্ষো*ভ প্রকাশ করেছেন। আ*ইনজীবী আসলাম তার মেয়ের পক্ষে লো*কদেখানো ও*কালতি করছেন বলে দাবি তার।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

এ*কাধিক পুরুষের সঙ্গে প*রকী*য়া করায় ক*সাই ভাড়া করে টু*করো টু*করো করে খু*ন

একাধিক পুরুষের সঙ্গে প*রকী*য়া করায় ৩০ হাজার টাকায় ক*সাই ভাড়া করে স্ত্রীকে খু*ন করালেন স্বামী। ভয়ংকর এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের বালি জেটিয়া হাউসের কাছে গঙ্গার ঘাট এলাকা থেকে ওই নারীর টু*করো টু*করো দে*হ উ*দ্ধার করে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যম জিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার বালি জেটিয়া হাউসের কাছে গঙ্গার ঘাটে কালো রঙের একটি ব্যাগ ও একটি চটের ব্যাগ পরে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় কালো রঙের ব্যাগটিতে এক নারীর কা*টা মা*থা দেখা যায়। পরে বিষয়টি পুশিকে জানালে ব্যাগ দুটি উদ্ধার করে।

তবে কালো ব্যাগটিতে কা*টা মা*থা ও দে*হের ওপরের অংশ টু*করো টু*করো করে কা*টা ছিল। আরেকটি চটের ব্যা*গ থেকে পাওয়া যায় পাঁচটি ধা*রালো অ*স্ত্র ও জামাকাপড়। তবে ব্যাগের মধ্যে নি*হত নারীর দে*হের ওপরের অংশ পাওয়া গেলেও, নি*চের অংশ পাওয়া যায়নি।

তবে এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জ*ড়িত থাকার বিষয়েও নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপর ওই নারীর কা*টা মা*থার ছবি থানায় পাঠানো হয় পরিচয় জানার জন্য। এদিকে শিবপুর থানায় গণেশ চ্যাটার্জি লেনের বাসিন্দা সোনি রজক নামে এক নারীর নামে নি*খোঁজ ডা*য়েরি করা হয়েছে। যার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কা*টা মা*থার মি*ল রয়েছে।

পরে পেশায় ধোপা উপেন্দ্র রজককে জি*জ্ঞাসাবা*দ শুরু করে পুলিশ। তবে জি*জ্ঞাসাবা*দ উপেন্দ্র রজকের কথায় অ*সঙ্গতি পায় পুলিশ। ইতিমধ্যে উপেন্দ্র রজক এলাকায় জানিয়ে দিয়েছে, তার স্ত্রী অন্য এক যুবকের সঙ্গে পা*লিয়েছে*ন।

পুলিশ পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখেন। প্রথমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে তিন ব্যক্তি হেঁটে শিবপুর এলাকা দিয়ে যাচ্ছেন। এর পর বালিখাল এলাকার আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই তিনজন ব্যাগসহ রিকশায় চড়ে যাচ্ছেন।উপেন্দ্র রজককে ব্যাপক জি*জ্ঞাসাবা*দে স্ত্রীকে হ*ত্যার অ*ভিযো*গ স্বীকার করে।

এদিকে খু*নের ঘটনায় প্রে*প্তার করা হয়েছে কসাই দিলওয়ার, নি*হতের স্বামী উপেন্দ্র রজক ও শাকিল আহমেদ নামে আরও এক ব্যক্তিকে। খু*নে আরও কেউ জ*ড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

কিভাবে জ*ড়িত হলেন ক*লগা*র্ল সা*র্ভিসে বর্ণনা দিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী

দেশের একটি নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিভাবে জ*ড়িত হলেন যৌ*নপে*শা বা ক*লগা*র্ল সা*র্ভিসে। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মনেয়া মেয়েটি এইসএসসি পাশের পর যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির তখনই তার বাবা তাদের সংসারের একমাত্র অবলম্বন ছোট্ট ব্যবসাটি চরম লো*কসানে পড়ে। সঙ্গে ক*পাল পু*ড়ে পুরো পরিবারের।

এরপর থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে মেয়েটিকেই হাল ধরতে হয় পুরো পরিবারের। আর এক পর্যায়ে প্র*তার*ক চ*ক্রের খ*প্পরে পড়ে সে হারায় তার স*ম্ভ্রব, তার স*র্বস্ব। এরপর শুরু হয় এক নতুন জীবন, চলতে থাকে অ*ন্ধকারে*র জ*গতে তার পথচলা।

পরিবারের সংকট থাকার কারণে বিভিন্ন যায়গায় চাকরি খোঁজ করেন। আবার জবস বিজ্ঞাপন দেখে বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য আবেদন করেন। বেশির ভাগ যায়গায় কাজের অভিজ্ঞতা চায় কিন্তু তার কোন অভিজ্ঞতা নেই। পরিবারের সংকট আবার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে হবে।

হতাশার মধ্যেই দিন কাটছে তার। এরই মধ্যে গুলশানে একটি অফিসে ভাইবা দেয়ার জন্য ডাকা হয় এই শিক্ষার্থীকে। কয়েকদিন পর ফের ভাইবা দেওয়ার জন্য তাকে ডাকা হয়। অতঃপর তাকে বলা হয় তাদের অফিসার আছে ভাইবা দেয়ার জন্য ওখানে নিয়ে যাওয়া হবে।

এই তরুণী বলেন, আমাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু জায়গাটা হচ্ছে হোটেল রেডিসন। এটা কোন অফিস মনে হচ্ছিল না। অনেকক্ষণ পরে একজন লোক আসলো তাকে অফিসারের মতোই মনে হচ্ছিল। দেখতে পেলাম আমাকে জিনি নিয়ে গেলেন তার হাতে অফিসারের মতো যেই লোকটা কিছু টাকা ধরিয়ে দিলেন।

তখন আমার মনে একটু খ*টকা লাগলো। ওনাকে কেন টাকা ধরিয়ে দিচ্ছেন। তখন আমি একটু ভয়ও পেলাম। কখনোতো এরকম পরিস্থিতিতে পড়িনি। আমাকে জেনে নিয়ে গেলেন উনি আমার নিকটে আসলো। তাকে জিজ্ঞেস করলাম ইন্টারভিউ কি হবে? উনি টাকা দেখিয়ে বললো বুঝতে পেরেছো তুমি? আমি বললাম কি বুঝতে পারবো?

তখন উনি বলল বাকিটা তোমার কাজ। তখন আমি কি করবো কিছু বুঝতে পারছিলাম না। তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না যে আমি কি করবো? আমি কি চলে যাবো নাকি চি*ৎকার করবো। উনি বললো কাজটা তোমাকে করতে হবে। ওনাকে সময় দিতে হবে।

‘কাউকে সময় দেয়া মানে কি এটা আমি বুঝতে পারলাম। তখন আমি তাকে বললাম এটা আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। আমি এটা পারবোনা, আমি কি করে সময় দিব? আমাকে যেই লোকটা ওখানে নিয়ে গেলেন তিনি আমাকে বললেন তোমার যদি চাকরিটা দরকার হয়, যদি চাকরিটা করতে চাও তাহলে মনে হয় কাজটা করা দরকার।

আবার হু*মকি দিয়ে বলেছিলো এই কাজটা না করলে কোন কাগজ ফেরত দেয়া হবে না। এ কথা বলে ওই লোকটা চলে গেলে। তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করবো। অফিসার এর মত দেখতে লোকটা আমার সামনে বসে আছেন। তখন আমি ভাবলাম আমার লেখাপড়া করা দরকার, ছোট ভাই, বোন, বাবা-মা আছেন। আমার তখন মনে হলো আমি যদি তাদের দিকে হাত বারাই যদি সহোযোগিতা করি তাহলে তারা ভালো থাকবে।

ওই লোকটা আমার সামনে আসলেন তিনি বললেন এখান থেকে বের হওয়া যাবে না। তখন আমি তাকে অনেক রি*কোয়ে*স্ট করলাম বলেছিলাম আমাকে এখান থেকে যেতে দেন, কিন্তু উনি আমার কোন কথাই শোনেন নি। উনি আমাকে অনেক জো*র করেছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী বলেন, তখন যা হওয়ার তা তো হয়েই গেল। কি পরিমাণ টাকা তাকে পরিশোধ করেছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, দশ হাজারের মতো ছিলো। তখন আমি বাসায় গিয়ে একেবারে ভে*ঙে পরি। নিজেকে অনেক অ*পরাধী মনে হয়।

কোন জিনিসে আমার মন বসছিলো না। কারো কাছে বলতেও পারছিনা, বলার কোন বিষয়ও না। আম্মা জানতে চেয়েছিলেন কি হয়েছে, কিন্তু এর কোন উত্তর আমি দিতে পারি নি। তখন নিজেকে সা*ন্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করি। যে যা হওয়ার তাতো হয়েই গেছে। অতঃপর এই টাকা দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হই। পাশাপাশি বইপত্র যা যা প্রয়োজন সব কিছু ক্রয় করি। তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছিল আমি কেন ম*রে যাবো। আমাকে বা*চে থাকতে হবে। ওরা বলেছিলো মাসে তিনটা কাজ করতে হবে।

‘কিছুদিন যাওয়ার পর অ*ন্ধকার জগতে কাজ করে এমন একটা গ্*রুপে এ্যা*ড হলাম। এই *গ্রুপের যিনি এ্যাডমিন ছিলেন তিনি কারো কাছ থেকে কোন বি*নিময় নেয় না। তিনি কাজ যোগাড় করে দেয়। এভাবেই অ*ন্ধকার জ*গতে প্রবেশ করি। একসময় আমি বুঝতে পারি কিভাবে যোগাযোগ করতে হয়। কিভাবে নিজেকে হা*ইড রাখতে হয়। এ কাজ করতে গেলে কখনো নিজেকে অ*পরা*ধী মনে হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সময় মনে হয়, আবার মাঝে মাঝে মনে হয় না।

টাকা পয়সা আর প্যাকেজের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা পয়সার বিষয় হচ্ছে যারা আসে তাদের অবস্থা বুঝে। যার অর্থনৈতিক অবস্থা একটু ভালো সে হয়তো একটু বেশি দিচ্ছে।

কিভাবে যোগাযোগ হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, *গ্রুপে পোস্ট দেই, কন্টাক্টটা ইনবক্সে হয়। তার পর ফোনের মাধ্যমে কন্টাক্ট করা হয়। যায়গাটা কিভাবে নির্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের গ্রুপের অনেকে আছে যারা পরিবার সহ থাকে।

ওখানে যাওয়া হয়, কিন্তু যায়গা গুলো অনেক নিরা*পত্তার। কেউ ঝা*মেলা করবে এমন কোন সমস্যা নেই। গেস্ট হিসেবে যাই। আসার সময় আমার যা আয় হয়, এখান থেকে দুই বা তিন হাজার তাদের দিয়ে আসতে হয়।

এখানে কারা আসে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশির ভাগ হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবী, বে-সরকারি চাকরিজীবী আবার অনেক স্টুডেন্টও আসে। স্টুডেন্টদের কাজ আমি একটু কম করি। কারন আমি নিজেও একজন স্টুডেন্ট এজন্য তাদের কাজ আমি করি না। বেশির ভাগ ৩৫ বছরের উপরে লোকজন বেশি আসে।

এপর্যন্ত আপনি কতজনের সাথে মিট করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো হবে। ঢাকার ভিতরেই কাজ গুলো করা হয়। ছয় থেকে আট হাজার টাকা কন্টাক্ট হয়। অনেকে থাকার পরে বলে ভু*ত থেকে টাকাটা তুলে দিচ্ছি।

দেখা যায় তার আর খোঁজ খবর নেই। আবার অনেকে টাকা কম দিয়ে যায়। বলছে পরবর্তীতে দিব। পরবর্তীতে অনেকে দিয়ে দেয়, আবার অনেকে দেয় না। আবার অনেকে বা*জে ব্যাবহার করে। মনে হয় আমরা কোন মানুষ না।

আমাদের সাথে মানুষের আ*চরণ করে না। এটা কোন জী*বন হতে পারে কি না জানিনা। এটা আসলে কোন লাই*ফ না। আমি চাই এখান থেকে প্র*তিনিয়ত বের হতে। আমি চাই আরও পাঁচটা মানুষ যেভাবে থাকে আমিও সেভাবে থা*কি।

এই শিক্ষার্থী বলেন, আমি এ জী*বন চাই না। আমি এখান থেকে বে*র হতে চাই। লেখাপড়া শেষ করে চা*করি করতে চাই। আমি জানিনা এখান থেকে সমাজ আমাকে কিভাবে বের করবে, কিন্তু আমি এখান থেকে বের হতে চাই। উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের বেসরকারি সময় টেলিভিশন-এ সংবাদটি প্রকাশিত করা হয়। সেই আলোকেই আমাদের এই প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

প্রবাসীর স্ত্রীকে নিজের বাসায় নিয়ে রা*তভর ধ*র্ষণ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক মাদরাসা ছাত্রী ধ*র্ষণের শি*কার হয়েছে। খড়িয়া মাদরাসার ছাত্রী ওই কিশোরীকে রাতভর একটি ঘরে আটকে রেখে রা*তভর ধ*র্ষণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ধ*র্ষিতার মা একটি মা*মলা দা*য়ের করেছেন। পুলিশ ধ*র্ষক রাকিবকে আ*টক করেছে।

পুলিশ জানায়, তার স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং মেয়ে খড়িয়া মাদরাসার ছাত্রী। তারা আড়াইহাজার নাগেরচরে ভাড়া বাসায় থাকেন। একই বাড়ীতে ভাড়া থাকে ধ*র্ষক রাকিব (১৯) ও তার পরিবার। রাকিব প্রায় সময় ছাত্রীটিকে মাদরাসায় যাতায়তের পথে উত্যক্ত করতো।

রাতে ধ*র্ষক রাকিব মেয়েটিকে ফু*সলি*য়ে তার ঘরে নিয়ে যায়। তার বাসা সেদিন ফাঁকা ছিল। ওই বাসায় রা*তভ*র তাকে আ*টকে রেখে তাকে জো*রপূর্ব*ক কয়েকবার ধ*র্ষণ করে।

ভোর বেলা ধ*র্ষিতা কৌ*শলে রাকিবের ঘর থেকে বের হয়ে বাসায় গিয়ে তার মাকে সব খুলে বলে। পরে ধ*র্ষিতার মা বা*দী হয়ে রাকিবকে একমাত্র আ*সামী করে শনিবার রাতে মা*মলাটি দা*য়ের করেন।

অ*শ্লীল ছবি-ভিডিও ধারণ করে ছাত্রলীগ নেতার প্র*তারণা

একাধিক তরুণীর অ*ভিযোগের ভিত্তিতে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য তৌহিদুর রহমান এহিয়াকে গ্রে*প্তার করেছে পুলিশ। এহিয়া সিলেট নগরীর মাহমুদুর রহমানের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার চিছড়াওলি বুড়াইয়া বাজারে। গত শুক্রবার নগরীর সুরমা মার্কেট থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রে*প্তার করে। তার বিরুদ্ধে প*র্নোগ্রা*ফি আ*ইনে মা*মলা দা*য়ের হয়েছে।

শনিবার রি*মান্*ডের আবেদন জানিয়ে পুলিশ তাকে আ*দালতে হা*জির করে। এরপর আ*দালতের নির্দেশে তাকে কা*রাগা*রে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিবার তার রি*মান্ড আ*বেদনের শু*নানি অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিয়া জানান, এহিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক তরুণী থানায় গু*রুত*র অ*ভিযোগ করেন। এরপর বিষয়টির ত*দন্তে নামেন এএসআই ইসমাইল হোসেন। নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে ৫-৬ মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় এহিয়ার।

সুদর্শন এহিয়া অল্প সময়েই ওই মেয়ের সঙ্গে প্রে*মের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। মেয়ের নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকার বাসায় যাতায়াতও শুরু করেন এহিয়া। গত ৯ জুলাই বিকেলে এহিয়া ওই তরুণীর বাসায় গিয়ে বিয়ের প্র*লোভ*ন দেখিয়ে তার সঙ্গে শা*রীরি*ক স*ম্পর্ক স্থা*পন করেন। এসময় গো*পনে তা নিজের মোবাইলে ধা*রণ করে রাখেন এহিয়া। এরপর এহিয়া বিয়ের ব্যাপারে গ*ড়িম*সি করলে তরুণী তার সঙ্গে যো*গাযোগ ব*ন্ধ করে দেন।

কিন্তু এহিয়া তরুণীর মোবাইলে ফোন করে শা*রীরি*ক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে এবং আরো একা*ধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে তাকে সহযোগিতার করার জন্য তরুণীকে চা*প দেন। অ*ন্যথায় নিজের মোবাইল ফোনে ধা*রণকৃত অ*ন্তরঙ্গ ছবি ও ভি*ডিও ক্লি*প ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছ*ড়িয়ে দেওয়ার হু*মকি দেন।

এরপর গত ১৭ জুলাই ওই তরুণী নগরীর একটি রেষ্টুরেন্টে এহিয়ার সঙ্গে দেখা করেন এবং এহিয়ার মোবাইল ফোনে নিজের অ*ন্তরঙ্গ ভিডিও দেখে হ*তভ*ম্ব হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি ছবি ও ভিডিও ক্লি*পটি মু*ছে ফেলার জন্য এহিয়াকে কা*কুতি-মি*নতি করেন। কিন্তু এহিয়া উল্টো তাকে হু*মকি দেন। এরপর তরুণী নিজের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে থা*নায় অ*ভিযোগ দেন।

এদিকে এহিয়ার বি*রুদ্ধে একই ধরনের আরো একাধিক অ*ভিযোগ আগেই পেয়েছিল পুলিশ। গত ২৮ জুন নগরীর মদিনা মার্কেটের এক তরুণী এহিয়ার বিরুদ্ধে থা*নায় জি*ডি করেন।

জি*ডিতে তিনি উল্লেখ করেন, এহিয়া তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ফোন করে তরুণীকে জানিয়েছে তার কাছে তরুণীর কিছু একান্ত ব্য*ক্তিগত ভি*ডিও ক্*লিপ রয়েছে। তার সঙ্গে দেখা না করলে এগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছ*ড়িয়ে দেওয়া হবে।

এহিয়ার বি*রুদ্ধে একই রকম আরেকটি অ*ভিযোগ করেন দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের আরেক তরুণী। পুলিশ এহিয়ার মোবাইল ফোন ট্র্যা*ক করে এসব অ*ভিযোগের স*ত্যতা পায়।

এরপর অ*ভিযোগকা*রী এক তরুণীর সহযোগিতায় এহিয়াকে গ্রে*প্তারের ফাঁ*দ পা*তে পুলিশ। ওই তরুণী গত শুক্রবার এহিয়াকে জানান সুরমা মার্কেট এলাকায় তিনি তার সঙ্গে দেখা করবেন। সে অনুযায়ী এহিয়া একটি রেষ্টুরেন্টে গেলে আগে থেকে ও*ৎ পে*তে থাকা পুলিশ তাকে গ্রে*প্তার করে।

ওসি সেলিম মিয়া জানান, গ্রে*প্তারের পর এহিয়ার মো*বাইল ফোন ত*ল্লাশি করে একাধিক তরুণীর সঙ্গে তার অ*ন্তর*ঙ্গ ভি*ডিও পাওয়া গেছে। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ব্যবহার করে তরুণীদের সঙ্গে অ*শ্লীল যো*গাযোগে*র প্র*মাণ মিলেছে। ওসি জানান, প্রাথমিক জি*জ্ঞাসাবা*দে এহিয়া তার প্র*তারণা*র কথা স্বী*কার করেছে। রি*মান্ডে নিয়ে তাকে ব্যা*পক জি*জ্ঞাসাবা*দ করা হবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

চা*ঞ্চল্যকর নতুন তথ্য, মা*দক নিয়ে বি*রোধেই রিফাত হ*ত্যা !

নয়ন বন্ড, রিফাত শরীফ ও রিফাত ফরা*জী- এরা একসময় পরস্পরের ঘণিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে চলাফেরা করতেন, মা*দকসে*বনেও হাতেখড়ি একই সঙ্গে। মা*দকের ভা*গবন্ট*ন নিয়ে বি*রোধ তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। একপর্যায়ে তারা শ*ত্রুতে পরিণত হন । সংবাদমাধ্যম পূর্বপশ্চিমবিডির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে  ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, বরগুনায় নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর বিরুদ্ধে যেমন মা*দকের কয়েকটি মামলা রয়েছে, তেমনি মা*দকের একাধিক মা*মলার আ*সামি নিহত রিফাত শরীফও।

এসব তথ্য জানিয়েছেন বরগুনার মা*দক ও ধূ*মপা*ন বি*রোধী আ*ন্দোল*নের নেতা ও মানবাধিকারকর্মী মো. হাসানুর রহমান ঝন্টু। তিনি বলেন, মা*দকে*র ভা*গবন্ট*ন নিয়ে নয়ন বন্ড আর রিফাত শরীফের বি*রোধে*র কথা এলাকার সবাই জানে। ওই বি*রোধে*র জের হিসেবেই একবার নয়নকে মা*দকস*হ পুলিশের কাছে ধ*রিয়ে দেয় রিফাত। এ ঘটনায় কয়েকমাস জে*লেও ছিল নয়ন।

বরগুনার স্থানীয় অনেকের ধারণা, প্র*কাশ্যে দি*বালোকে চা*ঞ্চল্যকর এই হ*ত্যাকা*ণ্ডের নে*পথ্যে মিন্নিকে নিয়ে বি*রোধ নয়, মা*দক সং*ক্রান্ত বি*রোধ থেকেই রিফাত শরীফকে কু*পিয়ে হ*ত্যা করে নয়ন বন্ড।

এর সত্যতা মিলে বরগুনা থানায় দুজনের নামে দা*য়ের করা মা*দকের মা*মলা থেকে। বরগুনা থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, রিফাত শরীফ হ*ত্যার প্রধান আসামি নয়ন বন্ডের নামে আটটি ও রিফাত জীর নামে চারটি মা*মলা রয়েছে।

বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্*রকাশ্য সড়কে গত ২৬ জুন শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফকে কু*পিয়ে হ*ত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচিত এখন। রিফাতকে কু*পিয়ে হ*ত্যার সময় তা ঠেকাতে তার স্ত্রী মিন্নির চেষ্টার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে আলোচনার ঝ*ড় বয়ে যায়। স্বামীর হ*ত্যাকা*ণ্ডে জ*ড়িত থাকার অভিযোগ মিন্নি নিজেই গ্*রেফতার হয়ে কা*রাগা*রে আছেন।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে নিয়ে নয়ন বন্ড ও রিফাত শরীফের দ্বন্দ্ব এই হ*ত্যাকা*ণ্ডের কারণ বলে পুলিশ দাবি করলেও স্থানীয়রা মনে করছেন, মা*দক নিয়ে বি*রোধ থেকেই কু*পিয়ে হ*ত্যার এ ঘটনাটি ঘটেছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

জানা গেল ৮ মাসের শিশুর ঘা*ড় কা*টার রহস্য

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ৮ মাসের শিশুর ঘাড়ে কাটা দাগ দেখে ‘ছেলেধ*রা’ এ*সেছে ‘মাথা কে*টে’ নিতে; গু*জব ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আ*তংকিত হয়ে পড়েছে পুরো গ্রাম। উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জীবন তলাগ্রামে গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটে।

আ*ঘাত পাওয়া শিশুর নাম শাওন। তার বাবার নাম রাশেদ। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুর গলায় চেইন ছিল। কোনোভাবে সেটা দিয়ে ঘা*ড়ে কে*টে গেছে। কিংবা অ*সাবধা*নতাবসত কোনোভাবে ব্লে*ডের আ*ঘাত পেয়েছে। এমন কোনো বড় ঘটনা ঘটেনি। এটি গু*জব ছাড়া আর কিছু না।

অবশ্য গু*জব ছড়িয়েছে ওই শিশুর মায়ের কথার কারণে। জানা গেছে, শাওনের মা মা*নসিকভাবে অসুস্থ। তিনি একেক সময় একেক কথা বলেন। তার সন্তানের গলায় কা*টা দাগ কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কলের পাড়ে তার ছেলেকে এক নারী গলায় ছু*রি চা*লায়। এ সময় তিনি চি*ৎকার দিলে ওই নারী পা*লিয়ে যান। এই কথা আশেপাশের বাসিন্দারা জানতে পারে। পরে পুরো গ্রামে ‘ছেলেধ*রা’ এ*সেছে ‘মা*থা কে*টে’ নিতে গু*জব ছড়িয়ে পড়ে।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এতটুকু বাচ্চার গ*লায় ধা*রাল ছু*রি চা*লান হলে তার গ*লা দ্বি*খন্ডিত হয়ে যাওয়ার কথা। আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। জানতে পেরেছি, শিশুর মা অসুস্থ। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্নরকম কথা বলেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তারাও কাউকে পা*লিয়ে যেতে দেখেননি।

গ্রামবাসীকে আ*তংকিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে গু*জবে কান না দিতেও অনুরোধ জানান তিনি। এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে আ*ইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান ওসি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ সংবাদ