31 C
Dhaka
বুধ জুলাই ২৪, ২০১৯, ১২:১২ পূর্বাহ্ন.
প্রচ্ছদ ব্লগ

একে অন্যকে ‘ছেলে ধ’রা’ বলে গ’ণ ধো’লাই খেলেন স্বামী-স্ত্রী

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার মাঝে একজন আরেকজনকে ‘ছে’লে’ধ’রা’ বলায় গ’ণ ধো’লাই খেতে হয়েছে দুজনকেই। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ’ণ ধো’লাই দেওয়ার পর স্বামী পালিয়ে গেলেও স্ত্রীকে আ’টক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। জি’জ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, পরিবারের এক বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রিকশা খুঁজছিলেন ওই স্বামী-স্ত্রী। এর মধ্যে ঝগড়া বাধে দুজনের। একপর্যায়ে চরমপর্যায়ে চলে যায় সেই ঝগড়া। এর মধ্যেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে স্বামীকে ইঙ্গিত করে ‘ছে’লে ধ’রা’ বলে চিৎকার করে ওঠেন স্ত্রী। তখন স্বামীও স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ‘ছে’লে ধ’রা-ছে’লে ধ’রা’ চিৎকার করতে থাকেন। পরিবারের ওই বন্ধুটি দুজনকে সামলাতে চাইলেও পারছিলেন না।

ততক্ষণে আশেপাশের মানুষজন জড়ো হয়ে যায়। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা করে পে’টাতে শুরু করেন তারা। গ’ণ ধো’লাইয়ের শি’কার হন ওই পরিবারিক বন্ধুও। বি’ক্ষুব্ধ জনতার গ’ল ধো’লাই খেয়ে স্বামী ও বন্ধুটি পালিয়ে গেলেও বাঁচতে পারেননি স্ত্রী।

জানা গেছে, ওই নারীর নাম তানিয়া। তিনি স্থানীয় বেড়াইদেরচালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা এবিএম তাজউদ্দিনের মেয়ে। গ’ণ পি’টুনি খাওয়ার সময় তিনি চিৎকার করে বলছিলেন, ‘তার স্বামী আরেক বিয়ে করেছেন শুনে ঝগড়া বাধে তাদের মধ্যে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে,ছে’লে’ধ’রা নন।

কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতা তার কথা কানে তোলেনি। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তানিয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদে তিনি বার বার একই কথা বলেছেন।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল হক জানান, তানিয়াকে জি’জ্ঞাসাবাদের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা তাজউদ্দিনের মেয়ে বলে জানিয়েছেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করছিলেন। সে সময় একজন আরেকজনকে ছে’লে ধ’রা বলায় জনতা গ’ণ ধো’লাই দেয় তাদের।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

ভিপি নুরকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ক্লাস-পরীক্ষা সচলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ নেতারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে গত তিনদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে তালা দিয়ে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যারা শুরু থেকেই সাত কলেজের অধিভুক্তির বিরোধীতা করে আসছিলেন। সাত কলেজ বিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ডাকসু ভিপি নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন সমর্থন ও উস্কানি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের।

ছাত্রলীগের নেতারা অভিযোগ করেন, আখতার হোসেন অবৈধভাবে ডাকসুর টাকা খরচ করে তালা কিনেছেন এবং ভিপি নুরুল হক নুর তাতে সমর্থন দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ছাত্রলীগ নেতারা। এ কারণে নুর ও আখতারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমরা শুনেছি, যে তালা এখানে লাগানো হয়েছে, সেই তালা আগের দিন রাতেই ডাকসু সম্পাদকের কাছে দেওয়া হয়। সেই তালা নিয়ে, সেই শিকল নিয়ে ক্যাম্পাসে তালা দিয়েছেন ডাকসুর ওই সম্পাদক।’

রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, সাত কলেজের অধিভুক্ত বাতিলের আন্দোলনে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদকের অংশগ্রহণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গেট ও ভবনে তালা দেওয়া শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ।

ডাকসু সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান দেশে ফিরে এলে ছাত্রলীগ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজসেবা সম্পাদকের পদ বাতিল করার জন্য আবেদন করবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, নুর ও আখতারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে ছাত্রলীগের দাবিকে পাগলের প্রলাপ বলে মন্তব্য করছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘তাদের এই দাবি পাগলের প্রলাপ। আমরা তা কেয়ার করি না।’

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে গত তিনদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে তালা দিয়ে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যারা শুরু থেকেই সাত কলেজের অধিভুক্তির বিরোধীতা করে আসছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

কুমিল্লাতে প্রিয়া সাহার বি*রুদ্ধে করা মা*মলাও খারিজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ‘বাংলাদেশি সংখ্যাল*ঘুরা নি*পীড়নের শি*কার হচ্ছে- এমন মন্তব্য করার অ*ভিযোগে প্রিয়া সাহার বি*রুদ্ধে কুমিল্লায় করা রা*ষ্ট্রদ্রো*হের মা*মলা খা*রিজ করে দিয়েছে আ*দালত।

মঙ্গলবার কুমিল্লার সিনিয়র জু*ডিশি*য়াল ম্যা*জেস্ট্রেট ১ নং আমলী আদালতের বিচারক সোহেল রানা মা*মলাটি আমলে না নিয়ে খা*রিজ করে দেন। খা*রিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বা*দীপক্ষের আইজীবী অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম।

এর আগে, সোমবার কুমিল্লার সিনিয়র জু*ডিশি*য়াল ম্যাজেস্ট্রেট ১ নং আমলী আদালতে মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ও মহানগর ১১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল মা*মলাটি দা*য়ের করেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

“মিন্নি নয়, রিফাত হ’ত্যার নেপথ্যে চেয়ারম্যানের স্ত্রী-পুত্ররা?”

বরগুনার আলোচিত রিফাত হ’ত্যাকাণ্ড নিয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুরুতে নি’হত রিফাতের স্ত্রী মিন্নি এই হ’ত্যা মা’মলার প্রধান সাক্ষী থাকলেও পরবর্তীতে তিনিই হয়ে যান আ’সামি। প’রকীয়াই এই হ’ত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলে জানিয়েছিল পুলিশ। তবে এবার বেরিয়ে এসেছে আরেক তথ্য। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র বলছে, রিফাত হ’ত্যার নেপথ্যে থাকতে পারেন বরগুনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকি। তিনি রিফাত হ’ত্যার অন্যতম দুই আ’সামি রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির খালা।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনার কলেজ রোডে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে স্ত্রী মিন্নির সামনে যারা কু’পিয়ে হ’ত্যা করেন তাদের অগ্রভাগে ছিলেন রিফাত ফরাজী ও রি’শান ফ’রাজী। ওইদিনের ঘটনার প্রকাশিত ভিডিও-তে দেখা যায়, ছোট ভাই রি’শান পেছন দিক থেকে রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে ছিলেন। আর বড় ভাই রিফাত ফরাজি দা’ দিয়ে কো’পাচ্ছিলে’ন। বড় ভাইয়ের সেই দা’য়ের আ’ঘাতে রি’শানের হাতও অনেকটা কে’টে গিয়েছিল। রিফাত হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ছিলেন নয়ন। নয়ন-রিফাত দ্বন্দ্বের কারণ হিসেবে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সঙ্গে নয়নের প’রকীয়াকে দায়ী করা হচ্ছিলো। ভাবা হচ্ছিলো, মিন্নির কারণেই রিফাতের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন নয়ন। কিন্তু রিফাতকে কো’পানোর সময় ফরাজি ভাইরাই কেন সবচেয়ে বেশি নৃ’শং’স হয়ে উঠেছিলেন সেই প্রশ্ন উঠছেই। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে জড়িয়ে আছে আরেক কাহিনি।

রিফাত ফরাজি ও রি’শান ফ’রাজির বাসা শহরের ধানসিড়ি রোডে হলেও তারা থাকতেন শেখ রাসেল স্কয়ার লাগোয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসায়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শামসুন্নাহার খুকী তাদের খালা হন। খুকীর একমাত্র প্র’তিবন্ধী ছেলে কয়েক বছর আগে পানিতে ডু’বে মা’রা যায়। তখন থেকেই দুই ভাই রিফাত ও রিশান তাদের খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে মা বলে ডেকে আসছিলেন। তারা দুই ভাই ওই বাসায়ই থাকতেন। এমনকি চেয়ারম্যানের স্ত্রী তার ভাগ্নেদের সব অ’পকর্মেই প্রশ্রয় দিতেন বলেও জানা যায়। রিফাতের বিরুদ্ধে চারটি মা’মলা রয়েছে। তিনি একাধিকবার গ্রে’প্তারও হয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই তার খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রী খুকি প্র’ভাব খাটিয়ে তাকে জা’মিনে ছাড়িয়ে আনেন।

দেলোয়ার হোসেনের বাসার সামনেই রয়েছে তার মালিকানাধীন দোকান। সেটি ভাড়া নিয়ে এক ব্যবসায়ী খাবারের হোটেল ‘মাটিয়াল ক্যাফে অ্যান্ড মিনি চায়নিজ’ করেছেন। রিফাতকে কু’পিয়ে হ’ত্যার ঘটনার আগে গত ৫ মে মিন্নি তার স্বামীকে নিয়ে ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন। রিফাত শরীফ তার মোটরসাইকেল চেয়ারম্যানের বাসার একেবারে সামনে সড়কের পাশে রাখার চেষ্টা করেন। তখন সামসুন্নাহার খুকি বাধা দেন। এ নিয়ে খুকির সঙ্গে রিফাতের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। রিফাত তার সঙ্গে বা’জে ব্যবহার করেন। তখন রিফাতকে দেখে নেওয়ার হু’মকি দিয়েছিলেন খুকি। ধারণা করা হচ্ছে, এর জের ধরেই দুই ভাই রিফাত শরীফের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হ’ত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন রিফাত-রিশান।

মিন্নি তার সংবাদ সম্মেলনেও এ বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বরগুনা সরকারি কলেজ ফটকের সামনে তার স্বামীকে রিশান ফরাজি প্রথম পথ রোধ করেছিলেন। রিশান তখন দাবি করেছিলেন, রিফাত শরীফ তার মাকে (খুকি) অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। কেন করেছেন সেটা জানতে চান রিশান। ঠিক একই সময় রিফাত ফরাজী বলেন, ‘তুই (রিফাত) আমার চোখের দিকে তাকাইয়া ক, মাকে কেন তুই গালি দিয়েছো।’ তখন রিফাত-রিশানের সঙ্গে থাকা অন্য আ’সামিরা রিফাতের কাছে অ’স্ত্র আছে বলে চিৎকার করে এবং ধর ধর বলে তাকে কি’লঘু’ষি মা’রতে শুরু করে।

রিফাত হ’ত্যার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে বরগুনা সরকারি কলেজের ফটক থেকে ধরে আনার আগে থেকেই রিফাত ফরাজি কলেজ ফটকে অবস্থান করছিলেন এবং তার সহযোগীদের নানা নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।

পুরো বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি হ’ত্যার সঙ্গে নিজের এবং শামসন্নাহার খুকির জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। রফাতের সঙ্গে তার স্ত্রীর কোনো কথাকা’টাকা’টির ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

রেনু হ’ত্যার প্রধান আ’সামি হৃদয়কে গ্রে’ফতার

রাজধানীর বাড্ডায় ছে’লে ধ’রা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনু হ’ত্যার ঘটনায় হ’ত্যাকা’ণ্ডের প্রধান আ’সামি হৃদয়কে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে মো. মাহবুব আলম নামক এক ব্যক্তি হৃদয়কে দেখতে স্থানীয়দের সহোযোগিতায় তাকে আ’টক করে পুলিশের নিটক সোপর্দ করে।

গুলিস্তান পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা জানিয়েছে, মাহবুব আলম নামের এক ব্যক্তি হৃদয়কে দেখতে পেয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি বলেন আমি এ ধরণের কোন সংবাদ পাইনি এখনও।

এর আগে সোমবার (২২ জুলাই) রাতে গ্রেফতার কামাল ও আবুল কালাম আজাদ নামে দুইজনকে আ’টক করা হয়। সোমবার সকালে গ্রে’ফতার করা হয় বাচ্চু নামের একজনকে। রোববার অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাপ্পী, শাহীন ও জাফর নামে তিনজনকে গ্’রেফতার করে।

গ’ণ পি’টুনির ঘটনায় উদ্ধার করা মোবাইলে ধারণকৃত একটি ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্টতা পাবার পর তাদেরকে গ্রে’ফতার করা হয়। জড়িত অন্যদেরকে শনাক্ত করে গ্রে’ফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মেয়েকে ভর্তি করানোর তথ্য জানতে স্থানীয় একটি স্কুলে যান মা তসলিমা বেগম রেনু (৪০)। এ সময় তাকে ছে’লে ধ’রা সন্দেহে প্রধান শিক্ষকের রুম থেকে টেনে বের করে গ’ণ পি’টুনিতে হ’ত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জনকে আ’সামি করে একটি মা’মলা দা’য়ের করেন নি’হতের ভাগিনা নাসির উদ্দিন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

আগামী ১ আগস্ট থেকে বোরকা পরলেই ১৪ হাজার টাকা জ’রিমানা

বোরকা, নিকাব বা পর্দা পরে কোন নারী রাস্তাঘাটে বের হলে বা সরকারি বাস, ট্রেনে উঠলে বা অফিসে কাজ করতে গেলে আইনভ’ঙ্গের দায়ে ওই নারীকে ১৫০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজারের বেশি টাকা) জ’রিমানা দিতে হবে। এই আইন করেছে নেদারল্যান্ড।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে বোরকা নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডসে। দেশটির প্রশাসন জানিয়েছে, নেদারল্যান্ডসের আইন অনুযায়ী, প্রত্যেক মানুষকে রাস্তাঘাটে মুখ দেখিয়ে চলাফেরা করতে হবে।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নেদারল্যান্ডস সরকার স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা পাঠিয়েছে। রাস্তাঘাটে বোরকা পরা কাউকে দেখলেই তাকে যেন এ বিষয়ে নিষেধ করা হয়, তার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়টি কেউ মেনে না চললে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ। এর আগে শ্রীলঙ্কা, তিউনিশিয়াতেও বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। তথ্য সূত্র: টেলার রিপোর্ট, ডাচ রিভিউ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সৎ পথে থাকলে আল্লাহ সহায় হবেন এবং সকল ষড়য্ন্ত্র নস্যাৎ হবে

হিন্দু ধ’র্মাবলম্বীদের কটূক্তি করার অ’ভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মা’মলার বিষয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আ’লোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। গত সোমবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আ’দালতে মা’মলা’টি করেন গৌতম কুমা’র এডবর নামে রাজধানীর ভাষানটেকের এক সমাজসেবক।

মা’মলার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন ব্যারিস্টার সুমন। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘আমা’র নামে ভু’য়া ফেসবুক পেজ খুলে আমাকে ফাঁ’সানোর ষড়যন্ত্র হতে পারে চিন্তায় আমি বিগত ২৮-০৫-২০১৯ তারিখে ঢাকার শাহবাগ থানায় বিভিন্ন ভু’য়া পেজের নাম উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি করি যার নম্বর হচ্ছে ১৭০৯।

ভু’য়া পেজ ব্যবহার করে আজকে যে মা’মলা’টি আমা’র বি’রুদ্ধে করা হলো এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি। আমা’র জিডির কাগজটি আপনাদের সম্মুখে দিলাম। আমা’র বিশ্বা’স সৎ পথে থাকলে আল্লাহ সহায় হবেন এবং সকল ষড়য্ন্ত্র নস্যাৎ হবে।’ স্ট্যাটাসের নিচে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) একটি কপি সংযুক্ত করে দিয়েছেন।

ব্যারিস্টার সুমনের বি’রুদ্ধে করা মা’মলার অ’ভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন ফেসবুকে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধ’র্মাবলম্বী, যাদের ধ’র্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধ’র্ম। হয়তো দু-একটি খবর নিউজে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আরও অনেক ঘটনা ধামাচা’পা পড়ে যায়, তাদের নৃ’শংসতার আড়ালে।

অ’ভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৯ জুলাই সনাতন ধ’র্ম ও হিন্দু ধ’র্মাবলম্বীদের নিয়ে মিথ্যা, অ’শ্লীল চরম আ’পত্তিকর মন্তব্য করেন। ফলে হিন্দু সমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে এ বিষয় নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আ’সামির এরকম আচরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অ’শ্লীল অবমাননাকর ও অ’রুচিপূর্ণ বক্তব্যের ফলে রাষ্ট্র ও হিন্দু সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং ধ’র্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাত হানে। আ’সামির এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের ফলে সাধারণ জনগণ নীতিভ্রষ্ট, অসৎ হইতে উদ্ধত হওয়ায়র ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কিন্তু এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সুমন আগে থেকেই বলে আসছেন তার এ ফেসবুক আইডিটি ফেক। তিনি গত ২০ জুলাই তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেন, ‘আমা’র নাম ব্যবহার করে একটি ফেক পেজ হিন্দু সম্প্রদায়ের বি’রুদ্ধে বিষোদগার করছে। আমি এ বিষয়টি পু’লিশকে জানিয়েছি। আপনারা সচেতন থাকবেন। এটাই আমা’র একমাত্র পেজ, যার ফলোয়ার ২০ লাখের অধিক।

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বি’রুদ্ধে পৃথক আইনে মা’মলার প্রস্তুতির কথা রবিবার (২১ জুলাই) জানান বাদী হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সুমন কুমা’র রায়। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেই বিষয়টি জানান।

রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আ’দালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মা’মলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অ’প’রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

পেনাল কোডের ১২৩ (এ), ১২৪ (এ) ও ৫০০ ধারায় মা’মলা’টি আমলে নেয়ার জন্য ব্যারিস্টার সুমন আ’দালতে আবেদন করেন। আ’দালত বাদীর জবানব’ন্দি গ্রহণ করে পরে খারিজের আদেশ দেন।

এর আগে গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে মা’মলা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। সেদিন তিনি বলেন, ‘আমি তার বি’রুদ্ধে অবশ্যই মা’মলা করব, আপনারা আমা’র পাশে থাকবেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

মায়ের হ’ত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় মেয়ে তুবা

একটি গু’জব কেরে নিল ছোট্ট তুবার মায়ের আদর। মায়ের অ’পেক্ষায় দিন গুনছে তুবা। কিন্তু ভাগ্যের কি নি’র্মম পরিহাস কোন দিনও শেষ হবে না তুবার এই অ’পেক্ষা ফিরে পাবে না মায়ের সেই আদর।

গত ২০ জুলাই সকালে ঢাকার উত্তর পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রেনুকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়। মে’য়েকে ভর্তির জন্য ওই স্কুলে খোঁজ নিতে যান তিনি। এসময় তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে গুজবেই লোকজন জড়ো হয়ে ছেলেধ’রা বলে গণপি’টুনি দিলে মা’রা যান রেনু।

রেনুর হ’ত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার রাস্তায় নেমেছে তার শি’শুকন্যা তুবা। আজ বেলা ১১ টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রায়পুর সড়কে রেনুর হ’ত্যাকারীদের গ্রে’ফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বি’ক্ষোভ সমাবেশ করেছে স্থানীয়রা। এসময় শত মানুষের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়েছে চার বছরের অবুঝ শি’শু তাসনিম তুবাও।

সবার সাথে দাড়িয়ে শুধু তাকিয়ে দেখছে কিন্তু আসলেই কি বুঝতে পারছেন কি হচ্ছে এই মানব বন্ধনে। এরপর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর সোনাপুর গ্রামে রেনুর বাবার বাড়িতে রোববার রাতে তাকে দাফন করা হয়। তুবা এখন তার খালাদের সঙ্গে রয়েছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

মিন্নির জামিন না পেয়ে তাৎক্ষণিক যা বললেন তার আইনজীবী

বরগুনায় রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলার প্রধান সাক্ষী ও নি’হত রিফাতের স্ত্রী’ আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন চেয়ে ফের আ’দালতে আবেদন করা হয়েছে। আ’দালত আগামী ৩০ জুলাই জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে বরগুনার জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান শুনানির দিন ধার্য করেন।

বিষয়টি নিয়ে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে মিন্নির জা’মিন না’মঞ্জুর হওয়ায় জেলা ও দা’য়রা জজ আ’দালতে মিস কে’স হিসেবে মিন্নির জা’মিন শুনানির আবেদন করি। পরে আ’দালত শুনানি শেষে নিম্ন আ’দালতের নথি তলব করে আগামী ৩০ জুলাই মিন্নির জামিন শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।

গত ১৬ জুলাই (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জি’জ্ঞাসাবা’দ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পু’লিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পু’লিশ। এরপর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জি’জ্ঞাসাবা’দ শেষে রাত ৯টায় মিন্নিকে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ।

এরপর বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জু’ডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রি’মান্ড আবেদন করে পু’লিশ। শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আ’দালতের বিচারক মোহাম্ম’দ সিরাজুল ইস’লাম গাজী।

পরদিন বৃহস্পতিবার বরগুনার পু’লিশ সুপার মো. মা’রুফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার রি’মান্ড মঞ্জুরের পর পু’লিশের জিজ্ঞাসাবাদে মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হ’ত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

এরপর শুক্রবার বিকেলে মিন্নি একই আ’দালতে তার স্বামী রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেন। পরে আ’দালত তাকে জে’ল হা’জতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, রিফাত হ’ত্যা মা’মলার অ’ভিযুক্ত হয়ে আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দেয়া কাম’রুল আহসান সাইমুনের জা’মিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালত। সকালে আবেদনের পর দুপুরে সাইমুনের জামিন আবেদনের শুনানি হয়।

পরে শুনানি শেষে আ’দালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইয়াসিন আরাফাত সাইমুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। বিষয়টি জানিয়েছেন সাইমুনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী’ মিন্নির সামনেই স’ন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রাম’দা দিয়ে কু‌‌’পিয়ে গুরুতর আ’হত করে স্বামী রিফাত শরীফকে। গুরুতর আ’হত রিফাতকে ওই দিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা’রা যান।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অ’জ্ঞাত আ’সামি করে বরগুনা থানায় একটি হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করেন। এখন পর্যন্ত মিন্নিসহ ১৫ জন অ’ভিযুক্তকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। এদের সবাই রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

প্রিয়া সাহার তথ্য লুফে নিয়ে ভারতের গণমাধ্যম এ কি বলল বাংলাদেশ নিয়ে !

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেছেন, বাংলাদেশের ৩ কোটি ৭০ লক্ষ ধর্মীয় সংখ্যাল*ঘু নি*খোঁজ থাকার যে অভিযোগ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড‌ ট্রাম্পের কাছে হিন্দু নেত্রী প্রিয়া সাহা করেছেন তা সঠিক। সরকারের বিভিন্ন হিসেব অনুযায়ী, ১৯৭১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৭০ লক্ষ হিন্দু রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।

গত সোমবার সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক এ কথা বলেন। তিনি জানান, আজ সারা বাংলাদেশে প্রিয়া সাহার বক্তব্য নিয়ে ঝড় উঠেছে। কিন্তু সরকারের ‘ক’ ও ‘খ’ তফশিলের তালিকা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন, প্রিয়া সাহার দেওয়া তথ্যে ভুল নেই।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি গোবিন্দ বলেন, অসমে প্রকাশিত নাগরিক তালিকায় বাদ পড়া প্রায় ৪০ লক্ষ নাগরিক তো বাংলাদেশ থেকে নি*খোঁজ হওয়া মানুষই। তারা বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এখন আমরা স্বীকার করছি, এন আর সি থেকে বাদ পড়া ৪০ লক্ষ নাগরিক বাংলাদেশি ছিলেন। শুধু অসমেই নয়, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্ব ভারত সহ পুরো ভারতেই বাংলাদেশ থেকে নি*খোঁজ ৩ কোটি ৭০ লক্ষ নাগরিকদের অধিকাংশই রয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু সহ অনেক নেতা-মন্ত্রী, বর্তমান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সহ অনেক কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী সহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তিই বাংলাদেশের ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তারা ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা সবাই ৩ কোটি ৭০ লক্ষ নি*খোঁজদের মধ্যে পড়েন।

গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, নি*খোঁজ হিন্দুদের তালিকা তো সরকারই অর্পিত সম্পত্তি ‘ক’ এবং ‘খ’ তালিকায় গ্যাজেট আকারে প্রকাশ করেছে, তো প্রিয়া সাহার সত্য উচ্চারণে সবার গায়ে আ*গুন জ্ব*লছে কেন? অর্পিত সম্পত্তির তালিকায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের কেউ কি দেখাতে পারবেন? তারা কি মি*সিং নন? বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেব কী বলছে?

তিনি বলেন, ১৯০১ সালে বাংলা ভূখণ্ডে মুসলিম ছিল ১ কোটি ৯১ লক্ষ ১৩ হাজার। আর হিন্দু ছিল ৯৫ লক্ষ ৪৫ হাজার। অর্থাৎ মুসলমান জনসংখ্যার অর্ধেক হিন্দু। ২০০১ সালে মুসলমান জনসংখ্যা ১১ কোটি ১০ লক্ষ ৭৯ হাজার এবং হিন্দু জনসংখ্যা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৭৯ হাজার। সম্প্রীতির হিসেব অনুসারে হওয়া উচিত ছিল সাড়ে ৫ কোটি। সরকারি হিসেব মতে, ৪ কোটি হিন্দু নি*খোঁজ।

হিন্দু মহাজোটের নেতা বলেন, বর্তমান সরকার অর্পিত সম্পত্তির ‘ক’ আর ‘খ’ তফশিলে গ্যাজেট আকারে যে সব নাম প্রকাশ করেছে তারা কোথায়? অর্পিত সম্পত্তির তালিকায় প্রকাশিত মানুষদের প্রথমে ফিরিয়ে এনে তাদের সম্পত্তি ফেরতের ব্যবসা করেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গত ১৭ই জুলাই হোয়াইট হাউসে যান তিনি। সেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যাল*ঘুরা মৌলবা*দীদের নি*পীড়নের শি*কার হচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি ৭০ লক্ষ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নি*খোঁজ হয়েছেন।

প্রিয়া সাহা সেখানে বলেন, “প্লিজ আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখনও সেখানে ১ কোটি ৮০ লক্ষ সংখ্যাল*ঘু মানুষ রয়েছেন। আমার অনুরোধ, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না। তারা আমার বাড়ি পু*ড়িয়ে দিয়েছে, আমার জমি কে*ড়ে নিয়েছে। কিন্তু বিচার হয়নি।”

তাঁর ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় বিভিন্ন মহলে। হাসিনা সরকারের তরফ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের ভাবমূ*র্তি ক্ষু*ণ্ণের উদ্দেশ্যেই প্রিয়া সাহা এ ধরণের ‘ব*নাওট ও কল্পিত অ*ভিযোগ’ করেছেন। বাংলাদেশে ফিরলে তাঁকে জি*জ্ঞাসাবা*দ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন একজন মন্ত্রী। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ওই বক্তব্য দিয়ে প্রিয়া সাহা ‘রা*ষ্ট্রদ্রো*হিতার অ*পরাধ’ করেছেন। সূত্র: যুগশঙ্খ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ সংবাদ