27 C
Dhaka
রবিবার, জুন ৭, ২০২০
প্রচ্ছদ প্রচ্ছদ

যে দুঃসংবাদ পেল সৌদি আরব প্রবাসীরা,সতর্ক হতে হবে এখনি

যে দুঃসংবাদ পেল সৌদি আরব প্রবাসীরা,সতর্ক হতে হবে এখনি
পড়া যাবে: < 1 minute

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যে দুঃসংবাদ পেল সৌদি আরব প্রবাসীরা, সতর্ক না হলে এইখানেই শেষ হবে সব কিছু। প্রবাসীরা মাস্ক না পরলে সৌদি আরব ত্যাগ করতে ‘হতে পারে বলে জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই সাথে সামাজিক দূরত্ব মেনে না চললেও একই পরিণতি ‘হতে পারে। একটি টুইটে আজ( ৪ জুন) এমনটিই জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক্ষেত্রে জরিমানা তো হবেই সাথে সাথে প্রবাসী হয়ে থাকলে তাকে দেশেও ফিরত পাঠানো ‘হতে পারে। আজ ( ৪ জুন) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি টুইট করে। সেখানে উল্লেখ করা ছিল যে সকল প্রবাসীগণ মাস্ক ব্যবহার না করে রাস্তায় বের হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবে না

অথবা কর্মস্থলে তাদের মাস্ক ছাড়া কাজ করতে দেখা যাব’ে, তাদেরকে এক হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানার পাশাপাশি চূড়ান্তভাবে সৌদি আরব ত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে এবং তাঁরা পরবর্তীতে আর কখনোই সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবে না। সেই সাথে এটাও নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে কেউ যদি কাউকে মাস্ক না পরে বাহিরে চলাফেরা করতে দেখে তাহলে

অবিলম্বে ৯৯৯ (মক্কা অঞ্চলের জন্য ৯১১ ) ফোন করে জানায়। এরপর বাদবাকি ব্যাব’স্থা সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রহন করবে। সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আল-রাবিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযয়ের এই সি’দ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন “কোভিড-১৯ মোকাবেলায় মাস্কের গু’রুত্ব অ’পরিসীম।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল কুয়েত সরকার

প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল কুয়েত সরকার
পড়া যাবে: < 1 minute

অ’ভিবাসী শ্রমিকদের জন্য দুঃসংবাদ দিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত। তারা আর অ’ভিবাসী অধ্যুষিত দেশ হিসেবে থাকতে চায় না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। এক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন যে, সেখানে অ’ভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।

মোট জনসংখ্যার সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ পর্যন্ত অ’ভিবাসী রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে করো’না ভাইরাসের প্রকো’প বেড়ে যাওয়া এবং তেলের দাম কমে যাওয়ায় দেশটির অর্থনীতি ভ’য়াবহ ক্ষ’তির মুখে পড়েছে।

দেশটিতে অ’ভিবাসী কমিয়ে আনার এমন ঘোষণা অ’ভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আত’ঙ্কের। কারণ বর্তমানে করো’নার কারণে বিশ্বজুড়েই বড়ো ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। যারা নিজের দেশ ছেড়ে কাজের আশায় কুয়েতে পাড়ি জমিয়েছিলেন তারা এখন আত’ঙ্কে দিন কা’টাবেন।

বর্তমানে দেশটিতে ৪৮ লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে অ’ভিবাসীই রয়েছে ৩৪ লাখ। প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল খালিদ আল সাবাহ বলেছেন, এই ভারসাম্যহীন অবস্থার পরিবর্তন আনা দরকার।

এদিকে, সম্প্রতি কুয়েত সরকারের সাধারণ ক্ষ’মা’র সুযোগ না নেওয়ায় দেশটির আবাসন আইন ল’ঙ্ঘনকারী বা আকামাবিহীন অবৈ’ধ প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশির ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সামাজিক বি’ষয়ক মন্ত্রণালয়ের প’দ্ধতিতে নিবন্ধিত ১ লাখ ২০ হাজার আকামাবিহীন অবৈ’ধ প্রবাসীদের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ বিশ্বের মোট ১৫টি দেশের নাগরিক রয়েছেন। এ প্রবাসীরা ভিসা বা আকামা নবায়ন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

ফের বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার খরচ

ফের বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার খরচ
পড়া যাবে: < 1 minute

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ফের টেলিকম খাতে শুল্ক বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেটে মোবাইল ফোনের কল রেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক আরো বাড়ানোর প্রস্তাব করা হবে। বাজেটে প্রস্তাবটি পাশ হলে গ্রাহকদের ফোনে কথা বলার খরচ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে টেলিকম খাতের ব্যবসা ভালোই হয়েছে। ঘরবন্দি থাকায় যেমন মানুষের মোবাইলে কথা বলা বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি বেড়েছে ইন্টারনেটের ব্যবহার। তাই দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে টেলিকম খাতে শুল্ক আরোপের চিন্তা ভাবনা করছে এনবিআর। এতে স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে কল রেট।

বর্তমানে দেশে টেলিকম খাতগুলোকে কল রেটের ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক দিতে হয় সরকারকে। কিন্তু ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। যাতে এই সংকটাকালে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

সম্পূরক শুল্ক ছাড়াও বর্তমানে মোবাইল অপারেটরগুলোকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১ শতাংশ সারচার্জ এবং অন্যান্য শুল্ক মিলে মোট ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ ভ্যাট শুল্ক প্রদান করতে হয় সরকারকে। অর্থাৎ গ্রাহকরা ১০০ টাকার কথা বললে ২৭ দশমিক ৭৭ টাকা কেটে নেওয়া হয় ভ্যাট ও শুল্ক হিসেবে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে টেলিকম খাতে আরোপিত সম্পূরক শুল্ক ছিল ৫ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে করা হয় ১০ শতাংশ। এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে গতবছরই গ্রাহকদের মোবাইল কল রেট বৃদ্ধি পেয়েছিল। এবারের বাজেটে ফের সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হলে কথা বলার খরচ আরো বাড়বে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

ফাঁ’স হয়ে গেলো সৌদিতে করো’নায় এতো বাংলাদেশী শ্রমিকদের ম’রার আসল রহ’স্য

ফাঁ’স হয়ে গেলো সৌদিতে করো’নায় এতো বাংলাদেশী শ্রমিকদের ম’রার আসল রহ’স্য
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

সৌদি আরবে শনা’ক্ত হওয়া কো’ভিড-১৯ রো’গী এবং করো’নাভাইরাসে মা’রা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশীদের সংখ্যা আ’শঙ্কাজনক বলে মনে করছেন সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশী’রা। তবে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস মনে করছে অন্য দেশের অ’ভিবাসীদের তুলনায় সেখানে বাংলাদেশীদের আ’ক্রা’’ন্ত হওয়ার হার কিছুটা বেশি হলেও তা অস্বাভাবিক বা আ’শঙ্কাজনক নয়।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরবে করো’নাভাইরাস আ’ক্রা’’ন্ত রো’গীর সংখ্যা ৯১ হাজার ১৮২ জন।এটা সৌদির দেওয়া সরকারি তথ্যমতে। আর সৌদি আরবের সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২৫শে মে পর্যন্ত সেখানে ক’রো’নাভাইরাস আ’ক্রা’’ন্ত বাংলাদেশীর সংখ্যা ১০ হাজার ৯০৫ জন বলে জানান সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গো’লাম মসীহ।

রাষ্ট্রদূত গো’লাম মসীহ জানান সেদেশের সরকারি হিসেবে ২৫শে মে পর্যন্ত কোভিড-১৯ আ’ক্রা’’ন্ত হয়ে ৮৭ জন বাংলাদেশী সৌদি আরবে মা’রা গেছেন। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানান, তাদের হিসেবে নিশ্চিতভাবে করো’নাভা’ইরাস আ’ক্রা’’ন্ত এই ৮৭ জনের পাশাপাশি গত তিন মাসে কোভিড-১৯ এর উপসর্গ নিয়ে সৌদি আরবে মা’রা গেছে মোট ২২৪ জন বাংলাদেশি।

ওই কর্মকর্তা জানান মা’রা যাওয়া ২২৪ জনের মধ্যে ৮৭ জন নিশ্চিতভাবে কোভিড-১৯ রো’গী ছিলেন। বাকিদের মৃ’’ত্যু সনদে কারণ হিসেবে ‘কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে মৃ’’ত্যু’ উল্লেখিত ছিল। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় বলছে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে করো’নাভা’ইরাস আ’ক্রা’’ন্ত হয়ে মোট মৃ’’ত্যুর সংখ্যা ৫৭৯।

অর্থাৎ সৌদি আরবে মোট করো’নাভা’ইরাসে মৃ’’তদের ১৫ ভাগই বাংলাদেশী নাগরিক। সংখ্যার হিসেবে বিবেচনা করলে সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের আ’ক্রা’’ন্ত হওয়া ও মৃ’’ত্যুর সংখ্যা বেশি মনে হলেও সেদেশে মোট বাংলাদেশিদের সংখ্যার অনুপাতে এই হার খুব একটা আ’শঙ্কাজনক নয় বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত গো’লাম মসীহ।

তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে প্রায় ২২ লাখ বাংলাদেশী রয়েছেন। সেই অনুপাতে যদি চিন্তা করেন তাহলে যেই পরিমাণ বাংলাদেশি কোভিড-১৯ আ’ক্রা’’ন্ত হচ্ছেন, সেই হার খুব একটা আ’শঙ্কাজনক নয়।’ তবে তা স্বত্ত্বেও, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের অ’ভিবাসী শ্রমিকদের চেয়ে বাংলাদেশীদের আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার হার বেশি বলে মন্তব্য করেন গো’লাম মসীহ। তিনি বলেন, ‘এখানকার বাংলাদেশীদের অধিকাশের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বা সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে।

বেশি সংখ্যক বালাদেশির আ’ক্রা’’ন্ত হওয়ার একটি কারণ সেটি ‘হতে পারে।’ কেন এত বাংলাদেশী আ’ক্রা’’ন্ত হচ্ছেন? করো’নাভা’ইরাস নিয়ে সচেতনতার অভাব অথবা স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতার কারণেই সৌদি আরবের বাংলাদেশীদের মধ্যে সংক্র’মণের হার বেশি বলে মনে করেন সেখানে বসবাসরত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিকও।

তবে তাদের বক্তব্য, জীবন ও জীবিকার তাড়নায় তারা অসচেতন জীবনযাপন করতে বাধ্য হন, মেনে চলা সম্ভব হয় না স্বাস্থ্যবিধি। সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশী নাগরিকদের অধিকাংশই কম দক্ষতা সম্পন্ন শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তাদের অধিকাংশই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করেন। ব’দ্ধ জায়গায় একসাথে গাদাগাদি করে থাকতে হয় তাদের।

এরকম পরিস্থিতিতে শারীরিক দূরত্ব মানা বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রায় অসম্বব বলে মন্তব্য করেন অ’ভিবাসী শ্রমিকদের অনেকে। সাগর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি বিবিসিকে জানান তাদের শ্রমিক ক্যাম্পে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। কোথাও এক রুমে ৮-১০ জন, কোথাও কোথাও তার চেয়েও বেশি গাদাগাদি করে থাকতে হয়। চিকিতসা নেয়ার ক্ষেত্রেও এদের অনেকেই বিভিন্ন ধরণের সমস্যার মুখে পড়ছেন বলে জানান তিনি। অনেকেই করেো’নাভা’ইরাস পরীক্ষা করাতে পারছেন না।

অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গাড়ি না থাকায় শ্বা’সক’ষ্টের রো’গী হাসপাতালে যেতে পারছেন না এবং চিকিৎসা না পেয়ে মা’রা যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া বিদেশে অ’ভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কাজ করার মানসিক চাপও বাংলাদেশীদের আ’ক্রা’’ন্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ বলে মন্তব্য করেন সাগর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশীদের মৃ’’ত্যুর হার বেশি হওয়ার আরেকটা কারণ, এদের মধ্যে অ’পুষ্টির হার বেশি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা কম।

এখানে বাংলাদেশিরা যা আয় করে তার প্রায় পুরোটাই দেশে পাঠিয়ে দেয়। স্বাস্থ্যজ্ঞান শূন্যের কোঠায়।’ ‘এখানে আ’ত্মীয় স্বজনহীন পরিবেশে একটু অসুস্থ হলেই অস্থির হয়ে পড়ে বাংলাদেশীরা। সর্দি, জ্বর, কাশি হলেই রুমের অন্যরা আলাদা করে দেয়। একা হয়ে মর’ার আগেই মনে মনে মর’ে যায়।’ মা’র্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই সৌদি আরবে বেশ কঠো’রভাবে ল’কডাউন কার্যকর হওয়ার পর অনেক বাংলাদেশী নাগরিকের কাজ করার সুযোগ ব’ন্ধ হয়ে গেছে।

ফলে সেখানে বহু বাংলাদেশী অ’নিশ্চিত জীবন কা’টাচ্ছেন। লা’শ দেশে ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না করো’নাভা’ইরাস প্রা’দুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব’ন্ধ থাকায় এই সময় সৌদি আরবে মা’রা যাওয়া বাংলাদেশীদের লা’শ বাংলাদেশে আন সম্বব হচ্ছে না বলে জানান রাষ্ট্রদূত গো’লাম মসীহ। তিনি বলেন, ‘মৃ’’তদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে ধ’র্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে আমর’া তাদের লা’শ এখানেই দা’ফন করছি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

টাক মাথার সঙ্গে ক’রোনাভা’ইরাসের সম্পর্ক বেশ তীব্র

টাক মাথার সঙ্গে ক’রোনাভা’ইরাসের সম্পর্ক বেশ তীব্র
পড়া যাবে: < 1 minute

ক’রোনার উপসর্গ দেখা দেওয়া মানুষের মধ্যে টাক মা’থার লোকেরা অধিক ঝুঁ’কিতে আছেন বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছে। যুক্তরাজ্যর সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, যুক্তরাজ্যের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্লোস ওয়ামবিয়েরের নেতৃত্বে এ গ’বেষণাটি করা হয়।

গ’বেষকেরা বলছেন, টাক মাথার সঙ্গে ক’রোনাভা’ইরাসের সম্পর্ক বেশ তীব্র। বেশ কিছু ঘ’টনার ক্ষেত্রে ক’রোনায় সংক্রমণের জ’ন্য টাক মাথা বড় একটি ল’ক্ষণ হয়ে উঠতে পারে বলে গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন। মার্কিন চিকিৎসক ফ্রাংক গ্যাব্রিনের মৃ’ত্যুর পর এ বিষয়টি নিয়ে গ’বেষণা শুরু হয়। ওই চিকিৎসকের মা’থায় টাক ছিল। টাক মাথায় ক’রোনার ঝুঁ’কির বিষয়টিকে ‘গ্যাব্রিন সাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন গবেষকেরা।

গ’বেষক দলের প্রধান ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্লোস ওয়ামবিয়ের টেলিগ্রাফকে বলেন, মা’থায় টাক পড়ার বিষয়টি স্বা’স্থ্য ঝুঁকির তীব্রতা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী দিচ্ছে। অর্থাৎ স্বাস্থ্যের বিষয়ে আমাদের আগে থেকেই স’চেতন করছে। চীনের উহানের ঘটনার পর গবেষকেরা দেখেছেন, সেখানে না’রীদের তুলনায় পুরুষের মৃ’ত্যুহার বেশি। এ নিয়ে বেশ গবেষণা হয়েছে যে কেন না’রীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশি মা’রা যাচ্ছেন।

গবেষকেরা বলছেন, পুরুষের শ’রীরের বেশ কিছু হরমোন যেমন টেস্টোস্টেরোনের মতো হরমোন কে’বল চুল পড়ার জন্যই দা’য়ী নয়। এটি ক’রোনার সংক্রমণের আ’শঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। সে কারণেই যাদের টা’ক পড়ছে তাদের শরীরে খুব সহজেই বাসা বাঁধতে পারে ক’রোনাভা’ইরাস। এই হ’রমোনের মাত্রা ক’মিয়ে আনতে যদি প্রথম থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করা হয় তবে, কোভিড-১৯–এর প্রবণতাও কমিয়ে আনা সম্ভব।

সম্প্রতি স্পেনে এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে অধিকাংশের মাথায় টা’ক ছিল। মাদ্রিদের তিনটি হাসপাতালের ৭৯ শতাংশ কোভিড-১৯ আ’ক্রান্ত ব্যক্তিই টাক মাথার। তবে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী বলছেন, এ বিষয়ে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন। এখনই সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

এদিকে এ সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কর্মক্ষম পুরুষের আ’ক্রান্ত হওয়ার হার নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। এদের অনেকেরই মাথায় টা’ক ছিল। সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, অ’নিয়ন্ত্রিত জী’বনযাপন, ধূ’মপা’ন ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার পার্থক্যের কারণে নারীদের তুলনায় পুরুষের আ’ক্রান্তের হার বেশি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

দেশের প্রথম রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন কক্সবাজার

দেশের প্রথম রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন কক্সবাজার
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

প্রা’ণঘাতী করোনা ভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কক্সবাজার পৌর এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন করেছে কক্সবাজারের জে’লা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। আজ শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে এ সংক্রান্ত একটি জরুরী বি’জ্ঞপ্তি জারি করে শনিবার থেকে ২০ জুন পর্যন্ত পৌর এলাকা লকডাউনের আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণ কার্যকর ও অধিকতর দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে করোনা ভাই’রাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জে’লা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সমগ্র পৌরসভাকে রেড জোনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রেড জোনে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক বিবেচনায় ৬ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত নিম্নবর্ণিত নির্দেশনা প্রদান করা হল। কোভিড ১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা প্রদান করা হল।

১. রেড জোন এলাকায়-

ক. সকল প্রকার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। সকল জনসাধারণ আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ আবাসস্থলে অবস্থান করবে।

খ. সকল ব্যক্তিগত ও গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী হালকা ও ভা’রী যানবাহন রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি গাড়ি চলাচলে জে’লা প্রশাসকের অনুমতি গ্রহণ করবে। এম্বুলেন্স, রোগী পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ব্যক্তিবর্গের (অনডিউটি) পরিবহন, কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও জরুরী সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের গাড়ি এর আওতার বাইরে থাকবে।

গ. সকল প্রকার দোকান, মা’র্কেট, বাজার, হাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কেবলমাত্র রবিবার ও বৃহস্পতিবার কাঁচা বাজার ও মুদি দোকান স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। ঔষধের দোকান এর আওতার বাইরে থাকবে।

ঘ. কেবলমাত্র কোভিড ১৯ মোকাবেলা ও জরুরী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খোলা থাকবে। কেবলমাত্র রবিবার ও বৃহস্পতিবার ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ খোলা থাকবে। সকল হাসপাতাল, চিকিৎসা’সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও কোভিড ১৯ মোকাবেলায় পরিচালিত ব্যাংকিং সেবা প্রদান এর আওতার বাইরে থাকবে।</p

ঙ. জরুরি সংবাদ সংগ্রহের জন্য নির্বাচিত সংবাদকর্মীদের রেড জোনে কাজ করার নিমিত্ত কক্সবাজার প্রেস ক্লাব কর্তৃক প্রদত্ত ছবিযু’ক্ত বিশেষ পরিচিতি পত্র দৃশ্যমান অবস্থায় গলায় ঝুলানো থাকা সাপেক্ষে এবং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় রেড জোনে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীদের উপজে’লা নির্বাহী অফিসার, কক্সবাজার সদর কর্তৃক প্রদত্ত ছবিযু’ক্ত বিশেষ পরিচিতি পত্র দৃশ্যমান অবস্থায় গলায় ঝুলানো থাকা সাপেক্ষে কাজ করার অনুমতি দেয়া হবে।

চ. সকল প্রকার গণপরিবহন টার্মিনাল রেড জোনের বাইরে স্থা’নান্তর করতে হবে।

ছ. প্রকাশ্য স্থানে বা গণজমায়েত করে কোন প্রকার ত্রাণ, খাদ্য সামগ্রী বা অন্য কোন পণ্য বিতরণ করা যাবে না।

এই উদ্দেশ্যে গঠিত ওয়ার্ড কমিটিসমূহ নির্দেশনাবলী কঠোরভাবে বাস্তবায়নে দায়িত্বপালন করবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

যে ৪ শহরকে কঠোর লক ডাউনের মধ্যে নিয়ে আসছে সরকার

যে ৪ শহরকে কঠোর লক ডাউনের মধ্যে নিয়ে আসছে সরকার
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

দেশ সর্বোচ্চ করো’নাঝুঁকির দিকে এগোতে থাকায় এবং বড় শহরগু’লোতে আ’ক্রা’ন্তের হার বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে সরকার। এই শহরগু’লোতে নতুন নিয়মে ‘লকডাউনের’ বি’ষয়টি ভাবা হচ্ছে। নগরীর মেয়ররা চাচ্ছেন, এই চার সিটিতে যাতে অন্য জে’লার মানুষ আসা-যাওয়া করতে না পারে তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিটি সিটি এলাকায় আলাদাভাবে করো’না পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করো’না পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে। ফলাফল দেখে ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় সিটিগু’লোতে ওয়ার্ডভিত্তিক রে’ড ইয়েলো গ্রিন জোন করা ‘হতে পারে। তিন মন্ত্রী, চার মেয়রসহ সরকারের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সচিবের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিশেষ একটি বৈঠকে এ আলোচনা হয়। আগামী দুই দিনের মধ্যে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদসচিব জরুরি ভিত্তিতে ওই বৈঠকের আয়োজন করেন।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহা”ঙ্গীর আলম ও নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী এতে অংশ নেন।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, আইজিপি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ঈদের পর লকডাউন খুলে দেওয়ার পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সরকার স্বস্তিতে নেই। সবচেয়ে বেশি করো’নায় আ’ক্রা’ন্ত এলাকা ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ নিয়ে কী করা যায় তা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে মেয়রদের বলা হয়েছে, বৈঠকের সামগ্রিক বি’ষয় নিয়ে স্বাস্থ্যবি’ষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করে সুপারিশমালা তৈরি করবে। কমিটির সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদন পেলে দু-তিন দিনের মধ্যে তাদের জানানো হবে। ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে কয়েক কোটি মানুষের বাস। এই শহরগু’লোতে আন্ত জে’লার পরিবহন বন্ধ না করে সংক্রমণ রোধে ওয়ার্ডভিত্তিক রে’ড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোন ভাগ করা ‘হতে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বৈঠকে এ বি’ষয়ে রূপরেখা হিসেবে বলা হয়েছে,

যারা করো’নায় আ’ক্রা’ন্তের টেস্ট দিচ্ছে সেখানে ওই ব্যক্তির সব তথ্য থাকে। টেস্টে যারা পজিটিভ হবে তাদের তথ্য রোগী নিজে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা চেয়ারম্যানদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তখন ওয়ার্ডভিত্তিক রোগীর সংখ্যা হিসাব করে জোন ঠিক করা হবে। যেসব এলাকায় রোগী দ্রুত বৃ’দ্ধির চিত্র দেখা যাব’ে সেসব এলাকা রে’ড জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে। এভাবে দেশের অন্য কোথাও যদি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়, সেখানেও একই প’দ্ধতি জোনিং হবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একের পর এক রদবদল!বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একের পর এক রদবদল!বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

অবশেষে সরে যেতে হলো স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামকে। দীর্ঘ ২৮ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্র্যণালয়ে আসার পর তিনি ধাপে ধাপে বিভিন্ন ডেস্কে দায়িত্ব পালন করে অবশেষে সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। লেখাপড়া জানা হিসেবে তার খ্যাতি ছিল,

কিন্তু দূর্যোগে ভেঙে পড়া এবং সচিব হিসেবে নেতৃত্ব দানে অদক্ষতার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। প্রথম দফায় আসাদুল ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিলেন ডে”ঙ্গু’র সময়, সে সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়া গেলে তিনি ডে”ঙ্গু’ মোকাবেলার নেপথ্যে থেকে কাজ করেছিলেন। কিন্তু কখনো নেতৃত্ব নিতে চাননি। অথচ একজন সচিবের দায়িত্ব নেতৃত্বের। এই সময় মন্ত্রী গো’পনে মালয়েশিয়া চলে গেলে যখন সমালোচনার ঝড় ওঠে, তখনো স্বাস্থ্য সচিব নীরব ছিলেন। এরপর থেকে স্বাস্থ্য সচিবের স”ঙ্গে মন্ত্রীর দূরত্ব তৈরি হয় এবং মেয়াদকালে তাদের প্রকাশ্য দূরত্বের কথা সবারই জানা।

করো’না সঙ্কটের শুরু থেকেই স্বাস্থ্যসচিবকে নিঃস্পৃহ দেখা যাচ্ছিল। তার ‘হতোদ্যম আর সদা তৎপরতার অভাব ছিল লক্ষ্যনীয়, আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ছিল গতিহীন। এক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচিবের বদলে অতিরিক্ত সচিব প্রশাসন হাবিবুর রহমান খান পাদপ্রদীপে আসেন, কিন্তু তাতেও সঙ্কটের সমাধান হয়নি। স্বাস্থ্য সচিবের স”ঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদ’প্তরের দূরত্বের কথা প্রকাশ্যেই শোনা যায়। একদিকে যেমন স্বাস্থ্য অধিদ’প্তরের স”ঙ্গে তার মতবিরোধ ছিল প্রকাশ্য, অন্যদিকে মন্ত্রীরও তিনি কাছের মানুষ ছিলেন না।

আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দী’প্ত করা এবং তাদেরকে করো’না সঙ্কটের সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত করার ক্ষেত্রে তার ব্যর্থতা চোখে পড়েছে সকলের। আর এ কারণেই হয়তো শেষ পর্যন্ত সরে যেতে হলো স্বাস্থ্য সচিবকে। তবে প্রশ্ন হলো যে, এখনো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য অধিদ’প্তর কেন্দ্রিক এবং স্বাস্থ্য অধিদ’প্তরের উপর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ খুবই সামান্য।

তাছাড়া মন্ত্রী মন্ত্রণালয় চালান তার নিজস্ব কিছু কাছের মানুষদের দিয়ে। এরমধ্যে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সচিব বদল করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কি গতি ফিরিয়ে আনা যাব’ে? বিশেষ করে, এটা যখন একটি স্পর্শকাতর এবং বিশেষায়িত মন্ত্রণালয় এবং শুধুমাত্র একজন সচিব দিয়েই কি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নতুন রূপে দেখা যাব’ে? আশার কথা হলো যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যে নতুন সচিব দেওয়া হয়েছে- আব্দুল মান্নান একজন পরীক্ষিত এবং নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা। তিনি যখন যে দায়িত্ব পালন করেছেন সেই দায়িত্বেই প্রশংসার দাবি রেখেছেন। কিন্তু একটি মন্ত্রণালয়ের সাফল্য-ব্যর্থতা শুধুমাত্র একজন সচিবের উপর নির্ভর করে না বা

একজন মন্ত্রীর উপর নির্ভর করে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যেন এখন একটি ভাঙা হাঁটের টিম এবং সেখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নেতৃত্বের অভাব। সেখানে নতুন স্বাস্থ্য সচিব কি মন্ত্রীকে ছায়া করে বর্তমান দুর্যোগ মোকাবেলায় নেতৃত্ব দিতে পারবেন? সামনের দিনগু’লোতে তা বোঝা যাবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

পোস্ট মাস্টারকে গু’লি করে ৫০ লাখ টাকা ছি’নতা’ইয়ের সাথে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত

পোস্ট মাস্টারকে গু’লি করে ৫০ লাখ টাকা ছি’নতা’ইয়ের সাথে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পোস্ট মাস্টারকে গু’লি করে ৫০ লাখ টাকা ছি’নতা’ইয়ের সাথে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশ জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রে’প্তার করেছে।

ওই ছাত্রলীগ নেতার আদালতে দেয়া জ’বানব’ন্দিতে ছি’নতা’ইয়ের সাথে জড়িত আরও কয়েকজন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর নাম বের হয়ে এসেছে। গ্রে’প্তার হয়ে আদালতে জ’বানব’ন্দি দেয়া ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম তানজিদুল ইসলাম ওরফে জিসান। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

গত ১৭ মে কালিহাতী পোস্ট অফিস থেকে সঞ্চয়পত্র ও এফডিআর-এর ৫০ লাখ টাকা তুলেন বল্লা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার মুজিবর রহমান (৫০)। পরে তিনি তার অফিসের রানার রফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে কালিহাতী উপজেলা পোস্ট অফিস থেকে বল্লা পোস্ট অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর ২টার দিকে তারা বল্লা তাঁত বোর্ডের কাছে পৌঁছালে অপর একটি মোটরসাইকেলে তিন ব্যক্তি তাদের প’থরোধ করে। তারা পোস্ট মাস্টার মুজিবর রহমানের পায়ে গু’লি করে ৫০ লাখ টাকার ব্যাগটি ছি’নতাই করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় পোস্ট অফিস পরিদর্শক শেখ হোসেন জোবায়ের বাদি হয়ে অ’জ্ঞাত ব্যক্তিদের আ’সামি করে ওই দিনই কালিহাতী থানায় মা’মলা দা’য়ের করেন। মা’মলাটি ত’দন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

পুলিশ সূত্র জানায়, তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা এ ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনকে শনাক্ত করেন। গত ২১ মে টাঙ্গাইল শহর থেকে ছাত্রলীগ নেতা তানজিদুল ইসলাম ওরফে জিসানকে গ্রে’প্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ছি’নতাই হওয়া দুই লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়। জি’জ্ঞাসাবাদে জিসান ছি’নতাইয়ের ঘটনার সাথে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে জ’বানব’ন্দি দিতে রাজি হন।

পরদিন (২২ মে) তাকে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বী’কারো’ক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রূপম কুমার দাশ তার জ’বানব’ন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে কা’রাগা’রে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, জ’বানব’ন্দিতে জিসান জানিয়েছেন এই ছি’নতা’ইয়ের মূল পরিকল্পনা করেন কালিহাতী উপজেলা যুবলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম ওরফে সজীব। ঘটনার দিন জিসান এবং সজীবের সহযোগী যুবলীগ কর্মী রিপন বল্লা পোস্ট অফিস এলাকায় অবস্থান করেন।

পোস্ট মাস্টার মুজিবর রহমান টাকা তোলার জন্য কালিহাতীর উদ্দেশ্যে রওনা হলে জিসান ও রিপন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের অনুসরণ করতে থাকেন। কালিহাতী পোস্ট অফিসে পৌঁছার পর টাকা তুলে বল্লার উদ্দেশ্যে পোস্ট মাস্টার রওনা দিলে মোবাইল ফোনে জিসান সজীবকে এ তথ্য জানিয়ে দেন। তার কিছুক্ষণ পর জিসান বল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথেই সজীব ফোন করে জিসানকে জানান যে, কাজ হয়ে গেছে। পরে জিসান অন্য পথে টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন।

জিসান জ’বানব’ন্দিতে জানিয়েছেন, সজীব তাকে জানিয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মী আবীর সিদ্দিকী ছি’নতা’ইয়ের সময় তার সাথে থাকবে। ঘটনার পর সন্ধ্যায় তাকে টাঙ্গাইল এসে সজীব দুই লাখ টাকা দেন। পরে জিসান বাসায় ফিরে টেলিভিশনের খবরে জানতে পারেন ৫০ লাখ টাকা ছি’নতা’ইয়ের কথা। তখন জিসান সজীবকে ফোন করে এত কম টাকা কেন দিল সে বিষয়ে জানতে চান। কিন্তু সজীব জানান, ফোনে এসব বলা যাবে না।

এদিকে নিজেদের সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যারাই জড়িত আছে এ ঘটনায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ ও টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগ নেতারা।  কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আলম মোল্লা বলেন, তাকে বহিস্কারের চিন্তা ভাবনা চলছে।

জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল জানান, জিসানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাকে বহিস্কারের জন্য কেন্দ্রে প্রস্তাব পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, মা’মলাটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। জড়িতদের গ্রে’ফতারে অভিযান অব্যহত আছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মা’মলা

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মা’মলা
পড়া যাবে: < 1 minute

শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মা’মলা হল। দেশটির মানবাধিকার সংগঠন দ্য আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন (এসিএলইউ) বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই মা’মলা করে।

তাদের অভিযোগ, গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজের কাছে অবস্থিত একটি চার্চে যাওয়ার পথ তৈরি করতে রা’সায়নিক বস্তু ছুড়ে একটি পার্ক থেকে শান্তিপূর্ণ বি’ক্ষোভকারীদের সরিয়ে নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছিল নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী।

ওয়াশিংটনের ফেডারেল কোর্টে মা’মলাটি দা’য়ের করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, কর্মকর্তা ও ফেডারেল সম্পত্তি রক্ষায় তা দরকার ছিল।

মা’মলায় বলা হয়েছে, সোমবার লাফায়েত্তে পার্ক থেকে বি’ক্ষোভকারীদের সরিয়ে তাদের অধিকার ‘আইনবহির্ভূতভাবে ভেঙেছেন’ ট্রাম্প, বার ও অন্য কর্মকর্তারা। এ সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা আ’গ্রাসী হয়ে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছেন এবং রা’বার বু’লেট ছু’ড়েছিলেন।

ব্ল্যাক লিভস ম্যাটার ডিসি গ্রুপ ও ওখানে উপস্থিত থাকা কয়েকজন বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে এই মা’মলা করা হয়েছে। মা’মলাটি দায়ের করেছে ওয়াশিংটনের এসিএলইউ, ওয়াশিংটন লয়ার্স’ কমিটি ফর সিভিল রাইটস অ্যান্ড আরবান অ্যাফেয়ার্স, লয়ার্স কমিটি ফর সিভিল রাইটস আন্ডার ল এবং দ্য ল ফার্ম অব আর্নল্ড অ্যান্ড পোর্টার।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ সংবাদ

যে দুঃসংবাদ পেল সৌদি আরব প্রবাসীরা,সতর্ক হতে হবে এখনি

যে দুঃসংবাদ পেল সৌদি আরব প্রবাসীরা,সতর্ক হতে হবে এখনি

প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল কুয়েত সরকার

প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল কুয়েত সরকার

ফের বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার খরচ

ফের বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার খরচ

টাক মাথার সঙ্গে ক’রোনাভা’ইরাসের সম্পর্ক বেশ তীব্র

টাক মাথার সঙ্গে ক’রোনাভা’ইরাসের সম্পর্ক বেশ তীব্র