28 C
Dhaka
শনি মে ২৫, ২০১৯, ৭:২৩ অপরাহ্ন.
প্রচ্ছদ ব্লগ সংবাদ পেজ 91

টাঙ্গাইল-৮ আসনে আ.লীগে প্রার্থী ছড়াছড়ি, বিএনপিতে আজম

টাঙ্গাইল-৮ আসন

টাঙ্গাইলের বাসাইল ও সখীপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৮ আসনে দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও এক বড় শক্তি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নিলে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও কাদের সিদ্দিকীর নির্বাচনী ভোটযুদ্ধ যে জমবে এ কথা আগে থেকেই বলে দেয়া যায়।

নির্বাচন ঘিরে সব দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ করছেন বেশ আগে থেকে। বড় দুই দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার ও লিফলেট সেঁটে জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। আর তৃণমূল নেতাদের সমর্থন ও কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেতে লবিং চালাচ্ছেন একাধিক নেতা।

তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগে শক্তিশালী প্রার্থী থাকলেও দলীয় মনোনয়নের জন্য ক্ষমতাসীন দলটিতেই দৌড়ঝাঁপ বেশি। এই দলে অন্তত আটজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমেছেন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে। তাদের মধ্যে অন্তত ছয়জন মনোনয়ন দৌড়ে কেহ কারে নাহি ছাড়বে। ফলে একক প্রার্থী নির্বাচনে বেগ পেতে হবে আওয়ামী লীগকে। তাই এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে কারো প্রায় নিশ্চিত সম্ভাবনা আঁচ করা কঠিন। কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে তা অতটা নয়।

টাঙ্গাইল-৮ আসনের বর্তমান এমপি অনুপম শাহজাহান জয় এবারও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তার পক্ষে নেতাকর্মীরা নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি ছাড়াও অন্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আওয়ামী লীগে অন্য মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (জোয়াহের), বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক জিএম ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মালেক মিয়া, সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শওকত সিকদার, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আসাদুল হক তালুকদার, ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা সরকার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ফারুক। তারা সবাই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন।

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে অনেকটা এগিয়ে আছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। কেন্দ্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগোযোগ আর নানা মাধ্যমে উপস্থিতির কারণে দ্রুতই পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। তবে একেবারে বিনা যুদ্ধে মনোনয়ন পেয়ে যাবেন তা নয়। তাকে লড়তে হবে সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হাবিব ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক নাসিরের সঙ্গে। এই দুজনও নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগ-বিএনপির তুলনায় অতি ছোট দল হলেও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী অন্য আর সবার চেয়ে বেশি পরিচিত মুখ। এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য তিনি। নিজের বিপুল পরিচিতি নিয়ে বসে নেই মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর খেতাব পাওয়া এই নেতা। নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন অন্যদের সমানতালে। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি এখন ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী থেকে পারেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আশরাফ সিদ্দিকী।

আসছে নতুন কর্মসূচি , দেশে ফিরেই ঘোষণা দেবেন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

চিকিৎসা শেষে চলতি মাসে (সেপ্টেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সূত্র থেকে জানা গেছে, চোখে ছানি অপারেশনের কারণে ঈদের আগে দেশে ফিরতে পারেন নি তিনি। তবে পুরোপুরি চিকিৎসা শেষে এ মাসেই লন্ডন থেকে দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান  বলেন, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে এ মাসেই ম্যাডামের দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে’।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কবে নাগাদ দেশে ফিরতে পারেন এবং কবে নাগাদ সহায়ক সরকারের রুপরেখা দেয়া হবে জানতে চাইলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামন দুদু  বলেন, এখন পর্যন্ত সে রকম কোনো সিদ্ধান্তের কথা আমাদেরকে জানানো হয় নি। তবে আশা করা যায় এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি আসবেন এবং তারপরই সহায়ক সরকারের রুপরেখা ঘোষণা করতে পারেন। মোটামুটিভাবে সহায়ক সরকারের রুপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি আসলে তা জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ঈদের পর খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে রাজনীতির মাঠে তৈরি হবে ‘বাঁক’; উজ্জীবিত বিএনপিকে নিয়ে ভোটের সমীকরণে দেখা যাবে নতুন হিসাব-নিকাশ। খালেদা জিয়ার লন্ডন সফরে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে। কেউ কেউ তার এই সফরকে দেখছেন দেশে-বিদেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের ‘টনিক’ হিসেবে।

খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন না আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয় মন্তব্য করে একটি সূত্র বিডি২৪লাইভকে জানায়, বেগম খালেদা জিয়া এ মাসেই দেশে ফিরছেন এটা শতভাগ নিশ্চিত। খালেদা জিয়া দেশে ফেরার জন্য খুবই উদগ্রীব। ষোড়শ সংশোধনী রায়ের পর তিনি ফুরফুরে মেজাজে আছেন। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে ত্রয়োদশ সংশোধনীর রিভিউ করবেন কিনা সে বিষয়ে দেশে ফিরেই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, দলের চেয়ারপারসনকে বিশাল শোডাউন করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে নীরবে ব্যাপক প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। খালেদার গুলশানের বাসা থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত রাস্তার দুইপাড়ে সারিবদ্ধ হয়ে ফুল দিয়ে খালেদা জিয়াকে বরণ করে নেওয়া হবে। খালেদার সংবর্ধনার দিন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলো ঢাকাকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করতে চায়। পাশাপাশি বিমানবন্দরেও দলীয় নেতাকর্মীর ব্যাপক সমাগম ঘটাবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেগম জিয়া দেশে ফিরবেন না আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দিতে ও দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতেই মূলত এ শোডাউনের আয়োজন করা হচ্ছে। এ ছাড়াও এ আয়োজনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখে জনগণও বিএনপির সামর্থ্য সম্পর্কে অবাক হবেন বলেও মনে করছেন তারা।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরেই সারাদেশে দল গোছানোর কাজ শেষ দেখতে চান। দল গোছানো হওয়ার পরই সহায়ক সরকারের রূপরেখা প্রকাশ করবেন। রূপরেখা প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া এবং সরকারের মনোভাব পর্যবেক্ষণ করবেন কিছুদিন। তারপর প্রয়োজন মতো আন্দোলনের ডাক দেবেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, চিকিৎসা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গত মাসে লন্ডন সফরে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

না জানলে খালেদা জিয়ার মতো আমিও বলতাম এটা করলে তথ্য পাচার হয়ে যাবে

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী

সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু অজ্ঞতার কারণে বিএনপি দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনটি কুয়াকাটায় স্থাপন করা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু আগেই ডিজিটাল দেশগুলোর কাতারে থাকত বাংলাদেশ। অথচ অজ্ঞতার কারণে সুযোগ থাকা সত্ত্বে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে বিএনপি। দুইবার বিনা পয়সায় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ হয়েছিল বাংলাদেশের। কিন্তু অজ্ঞতার কারণে তা নাকচ করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে বিএনপি। তিনি বলেন, সাবমেরিন ক্যাবল কি এটা জানতে হবে। না জানলে খালেদা জিয়ার মতো আমিও বলতাম এটা করা যাবে না। করলে তথ্য পাচার হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আন্তরিকতায় আজ দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছিল আমাদের। আমরা তা বাস্তবায়ন করে ফেলেছি। প্রতিটি সেক্টরকেই আমরা ডিজিটিলাইজ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন দেশের সব ধরনের কার্যক্রমকে আমরা অনলাইন ভিত্তিক করতে পেরেছি। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি সবকিছুই এখন অনলাইনে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের চেয়ে পটুয়াখালীতে দ্বিতীয় প্রকল্পটি পাঁচ গুণ বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন। ব্যান্ডউইথ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবো আমরা।

চালু হলো দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চালু হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই স্টেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

কলাপাড়া উপজেলার গোড়া আমখোলাপাড়ায় এই ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চালু হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন

এর ফলে বাংলাদেশের টেলিকম কোম্পানিগুলোকে আর বিদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে হবে না বলে সরকার আশা করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

কুয়াকাটা সংলগ্ন মাইটভাঙ্গা গ্রামে ১০ একর জমির উপর ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনটি।

১৯টি দেশের টেলিযোগাযোগ সংস্থার সম্মেলনে গঠিত সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসইএ-এমই­উই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের অধীনে জাপানের এনইসি ও ফ্রান্সের অ্যালকাটেল লুসেন্ট ২০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এ কেবলটি নির্মাণ করে।

সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভারত হয়ে ইউরোপের ফ্রান্স পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এর সংযোগ লাইন।

এই কেবলে সংযুক্ত হওয়ায় ট্রান্সমিশন চার্জ কম পড়ায় কম খরচে ইন্টারনেট সেবা পাবেন দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও ফরিদপুরের মানুষ।

বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এর মধ্যে ১২০ জিবিপিএস রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মাধ্যমে আসে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইডথ ভারত থেকে আমদানি করা হয়।

হাবিবের সঙ্গে মডেল অভিনেত্রী তানজিন তিশার নয়া সম্পর্ক

হাবিবের সঙ্গে মডেল অভিনেত্রী তানজিন তিশার নয়া সম্পর্ক

সঙ্গীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদের সংসার ভেঙেছে। এরই মধ্যে হাবিবের সঙ্গে মডেল অভিনেত্রী তানজিন তিশার নয়া সম্পর্কের খবর চাউর হয়েছে। এ নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় রয়েছে নানান গুঞ্জন। হাবিবের সাবেক স্ত্রী রেহান চৌধুরীও নিজের সংসার ভাঙ্গার জন্য দায়ী করেছেন তানজিন তিশাকে।

নিজের ফেসবুক ও একাধিক গণমাধ্যমে বলছেন সে কথা। তিশার ফেসবুক প্রোফাইলে হাবিবের সঙ্গে তার সেলফিও বিতর্কের আগুনে ঘি যোগ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। হাবিব ও তিশা বরাবরই ব্যক্তি-জীবনের সম্পর্ক বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে আছেন।

ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া সেলফির ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে তিনি বলেন, আপনারা যদি চান এই প্রোফাইলের ছবিটা পারমানেন্ট হোক তাহলে দোয়া করেন।

পারমানেন্ট মানেই তো ‘পাকাপাকি সম্পর্ক’। আর ‘পাকাপাকি সম্পর্ক’ ‘বিয়ে’ ছাড়া অন্য কিছু বোঝায় না। তবে কী হাবিব আর তিশা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন? সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে এর বেশি কিছু আর বলতে চাননি তিশা।

এদিকে প্রোফাইল করা ছবিটি এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিশা বলেন, আমি প্রোফাইল পিক নিয়ে কথা বলব না। হাবিবের সঙ্গে সেলফিটা আমার ইচ্ছে হয়েছে আমি প্রোফাইল করেছি, এটা আমার প্রোফাইল, আমার লাইফ। কে কি বলবে আমাকে?

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে লিটনের ফাঁদে পড়ে অন্তসত্ত্বা স্কুলছাত্রী

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে লিটনের ফাঁদে পড়ে অন্তসত্ত্বা স্কুলছাত্রী

ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে স্কুল ছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণ করেছে আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে লিটন আহাম্মেদ।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধর্ষিতা বাদী হয়ে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বড়চওনা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে লিটন আহাম্মেদকে (৪৫) একমাত্র আসামি করে ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে লিটনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। ওই দৃশ্য ভিডিও করা হয়। এরপর হুমকি দেওয়া হয়, ঘটনাটি প্রকাশ পেলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং মেয়ের মা-বাবাকে মেরে ফেলা হবে।

এই ভয় দেখিয়ে আরও ছয়-সাতবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। ২৩ আগস্ট স্থানীয় একটি ক্লিনিকে করা আলট্রাসনোগ্রাফি প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়েটি ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।

মেয়েটির বাবা বলেন, ‘বিষয়টি এলাকায় প্রকাশ পেলে লিটন আমাদের পরিবারকে মামলা না করার জন্য চাপ দেন। মেয়ের নামে জমি লিখে দিতে চান।’

লিটন আহাম্মেদের বাবা বলেন ‘এ ঘটনা শুনে আমি খুবই লজ্জা পেয়েছি। ১৫ দিন ধরে আমি ছেলের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি। ও খুবই খারাপ ছেলে। বাপ হয়েও আমি ছেলের বিচার চাই।’

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদুল আলম জানান, আসামি লিটন আহম্মেদকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

ধর্মগুরু রাম রহিমের ঘর থেকে মহিলা হোস্টেল পর্যন্ত গোপন সুড়ঙ্গ

ধর্মগুরু রাম রহিমের ঘর থেকে মহিলা হোস্টেল পর্যন্ত গোপন সুড়ঙ্গ

ভারতের কথিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের ব্যক্তিগত আবাস থেকে একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। ডেরা থেকে সুড়ঙ্গটি চলে গেছে সোজা সাধ্বী নিবাসের দিকে। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই। এই গোপন পথের সন্ধান মিলল সিরসার ডেরায়। এটা ছাড়াও আরো একটা সুড়ঙ্গের হদিশ পেয়েছে গতকাল থেকে তল্লশি চালানো টিম।

হরিয়ানা সরকারের মুখপাত্র সতীশ মিশ্র জানিয়েছেন, “আমরা জানলার মতো চৌকোনা একটা সুরঙ্গপথ পেয়েছি যেটা ডেরা আবাস থেকে সাধ্বী নিবাস পর্যন্ত গিয়েছে।” দ্বিতীয় সুড়ঙ্গটা ডেরার ভিতর থেকে শুরু হয়ে পাঁচ কিলোমিটার বাইরে গিয়ে শেষ হয়েছে। এটা পুরোটাই মাটির। সম্ভবত দরকারে পালানোর পথ হিসেবেই এটা তৈরি রাখা হয়েছিল, মনে করছে পুলিশ।

শনিবার ছিল সিরসার ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দফতরে পুলিশি তল্লাশির দ্বিতীয় দিন। এ দিনের তল্লাশিতে আস্ত একটি বিস্ফোরক কারখানার খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ কার্টুনের বেশি বিস্ফোরক। তল্লাশি অভিযান শুরুর ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই খোঁজ মেলে কারখানাটির।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এখানে বহু দিন ধরে তৈরি করা হত বিস্ফোরক। কারখানাটি সিল করে দেয়া হয়েছে। তদন্তের কাজে লাগানো হয়েছে রুরকি থেকে আসা ফরেন্সিক দলকে। বিস্ফোরকের প্রকৃতি এবং তা কতটা শক্তিশালী সে সব পরীক্ষা করা দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, কারখানায় তৈরি বিস্ফোরক বাইরে বিক্রি করা হত কি না, সে বিষয়টিরও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জোড়া ধর্ষণ কাণ্ডে ‘রকস্টার বাবা’ গুরমিত রাম রহিম সিংহ জেলে যাওয়ার পর থেকেই সিরসায় ডেরার সদর দফতরে হানা দেয়া হবে বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে ৭০০ একরের ডেরা চত্বরে তল্লাশি গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে। তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ এবং সরকারি নানা বিভাগের ১০টি দল। রয়েছে ৪১ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী, ফরেন্সিক দলও। পুরো বিষয়টি ভিডিও করে রাখতে লাগানো হয়েছে ৬০টিরও বেশি ক্যামেরা।

প্রথম দিনের তল্লাশিতে মিলেছিল ১ টাকার নীল, ১০ টাকার কমলা রঙের প্লাস্টিকের কয়েন। মিলেছে ১২০০টা নতুন নোট। বাতিল পাঁচশো-হাজারের ৭০০০টা নোট। পাওয়া গেছে ১৫০০ জোড়া জুতো, তিন হাজারেরও বেশি ডিজাইনার জামাকাপড়!

বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অজস্র ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ। ডেরার সদর দফতরে বহু লাশ পোঁতা রয়েছে বলেও খবর মিলেছে। সে জন্য ইতিমধ্যেই জেসিবি মেশিন এনে মাটি খোঁড়া শুরু করেছে পুলিশ।

নিরাপত্তার খাতিরে এ দিনও তল্লাশির সময়ে জেলায় মোতায়েন রয়েছেন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ। গতকালের মতো এ দিনও ডেরা সদর দফতরের বাইরে রয়েছে ডগ স্কোয়াড। রয়েছে বম্ব স্কোয়াড, দমকল, অ্যাম্বুল্যান্সও।

গোপনে গুগলে যে প্রশ্নের উত্তর বেশি খুঁজেন নারীরা

গোপনে গুগলে যে প্রশ্নের উত্তর বেশি খুঁজেন নারীরা

১. ফর্সা ত্বক পাব কীভাবে?

নারীরা প্রায়ই ত্বক ফর্সা করার জন্য প্রচুর পরিমাণে কসমেটিকস কেনেন। যেমন পাউডার, ফাউন্ডেশন এবং আরো নানা ধরনের প্রসাধনী।

কিন্তু ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই মূল চাবিকাঠি। এ জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, ফল ও জুস খেতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে এবং শরীরচর্চা করতে হবে। এর পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ঘরোয়া দাওয়াই ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. চুল কীভাবে দ্রুত গজানো যায়?

সারাদিন চুলের সঙ্গে নিষ্ঠুর সব আচরণ করে দিনশেষে এসে চুল কীভাবে দ্রুত গজানো সম্ভব তা নিয়ে গুগলে সার্চ করার কোনো মানে হয় না। চুল দ্রুত গজাতে চাইলে চুলকে যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হবে। আর চুল দ্রুত গজানোর কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করার সময় আপনাকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একদিনেই এর কোনো সমাধান সম্ভব নয়। অনেকে আবার এ সময় চুল ছাটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু সময় মতো চুল ছাঁটা হলে তা চুলের বৃদ্ধিতে বরং আরো সহায়ক হয়।

৩. ত্বকের ধরন নির্ণয় করব কীভাবে?

এ প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে, মেডিক্যাল স্কিন টেস্ট করানো। তবে ঘরে বসেও প্রাথমিক পদ্ধতিতে ব্লটিং পেপার ব্যবহার করেও স্কিন টেস্ট করানো যায়। ব্লটিং পেপারটি আপনার ত্বকের বিভিন্ন এলাকায় লাগিয়ে দিন। এরপর তা তুলে আলোতে দেখুন। এতে যদি প্রচুর পরিমাণ তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন হলো তৈলাক্ত। আর যদি কম তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। তবে আপনার গালের তুলনায় যদি নাক একটু বেশি তৈলাক্ত হয় তাহলে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।

স্কিন টেস্টের সর্বশেষ ঘরোয়া পদ্ধতিটি হলো মুখ পরিষ্কার করে একঘণ্টা পর তা পর্যবেক্ষণ করুন। এক ঘণ্টা পরও যদি আপনার মুখে তেল এবং মেদ থেকে ক্ষরিত রস থাকে তাহলে আপনার ত্বক হলো তৈলাক্ত ত্বক। কিন্তু যদি কোনো পরিবর্তন না দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। আর আপনার নাক এবং কপাল যদি কিছুটা চকচকে হয়ে ওঠে তাহলে আপনার ত্বক স্বাভাবিক ধরনের।

৪. ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর?

সবার জন্য যে ট্যাটু ক্ষতিকর এমন নয়। তবে যারা স্থায়ী ট্যাটু এঁকেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এর ফলে তাদের ত্বকের সমস্যা বেড়েছে। অর্থাৎ ট্যাটুতে ঝুঁকি আছে। সুতরাং আপনি যদি পুরোপুরি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে ট্যাটু না করানোই ভালো। আর যদি ট্যাটু করাতেই হয় তাহলে ভালো কোনো পার্লার এবং ভালো কোনো শিল্পীকে দিয়ে তা করান।

৫. চুলে কয়দিন পরপর শ্যাম্পু করব?

শ্যাম্পু তখনই করা উচিত যখন চুল ও মাথার ত্বকে ময়লা জমে। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর শ্যাম্পু করালে চুল ভালো থাকে। আর চুলের যত্নে শ্যাম্পু করার পাশাপাশি তেল, কন্ডিশনার, ভলুমাইজার এবং অন্যান্য জিনিসও ব্যবহার করতে হবে। অনেকে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করার কথা শুনে আঁতকে ওঠেন। কিন্তু আপনার চুলে যদি প্রতিদিনই কদাকার হয়ে ওঠে তাহলে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করাতে হবে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না।

৬. দেহের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণে নিরাপদ উপায় কোনটি?

দেহের লোম অপসারণের আছে একাধিক উপায়। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করছে আপনার ত্বকের ধরন এবং লোম গজানোর তীব্রতার ওপর। চোখের ভ্রুর জন্য থ্রেডিং এবং টোয়েকিং ভালো কাজ করে। হাত বা পায়ের জন্য ওয়াক্সিং সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। আর আপনি যদি লেজার হেয়াল রিমুভাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ কোনো কসমেটিক সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

৭. চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করব কীভাবে?

শসা ও আলুর ফালি এবং আইস বা ঘুমের রুটিন বদলে আপনি আইব্যাগ বা চোখের ফোলাভাব থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কর্কশ কিছু ব্যবহার করবেন না। কারণ তা আপনার চোখের দৃষ্টির ক্ষতি করতে পারে। আর তাতেও যদি আইব্যাগ দূর না হয় তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

৮. বলিরেখামুক্ত ত্বক পাওয়া যাবে কীভাবে?

প্রথম থেকেই ত্বকের যত্ন শুরু করুন। ৩০ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। কিন্তু আপনি যদি বলিরেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করেন এবং এরপর তা থেকে মুক্ত হতে চান তাহলে ভুল করবেন। বলিরেখার প্রথম লক্ষণ হলো কপালে ভাজপড়া। ওয়েবে ত্বকের বলিরেখা দূর করার ঘরোয়া দাওয়াই সম্পর্কিত নানা লেখা আছে। সেসব পড়ে পড়ে ত্বকের যত্ন করুন ধৈর্য ধরে।

৯. স্মোকি আই মেকআপ করা সম্ভব কীভাবে?

স্মোকি আই মেকআপ করার পদ্ধতি বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর সংখ্যক লেখা রয়েছে। যেকোনো একটি পদ্ধতি বাছাই করে সে মতো কাজ করুন। তবে কখনোই দুটো পদ্ধতি সমন্বয় করতে যাবেন না তাহলে কিন্তু বিপদ আছে। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর যেসব কসমেটিকস কেবল চক্ষুবিজ্ঞান এর পদ্ধতি পরিক্ষীত কেবল সে সবই ব্যবহার করুন।

১০. কনসিলার প্রয়োগ করতে হয় কীভাবে?

কোনো নারীই একদিনে কনসিলার প্রয়োগ করা শিখে যান না। এ ছাড়া কোন ধরনের কনসিলার ব্যবহার করছেন তাও একটি বিবেচ্য বিষয়। সব নারীই কনসিলার ব্যবহার করেন না। যাদের ত্বকে কোনো মার্ক বা দাগ আছে তাদেরকে অবশ্যই কনসিলার কিনতে হবে। কনসিলার কেনার আগে ক্রস চেক করে নিন সেটি আপনার ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই কিনা এবং আপনার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে কিনা। কনসিলারের নানা ধরন আছে। ফলে কেনার আগে গবেষণা করে নিতে হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় ইসলামী ফ্রন্ট

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় ইসলামী ফ্রন্ট

সেনা মোতায়েন, যথাসময়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, বিদ্যমান আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনাসহ নির্বাচন কমিশনকে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

রবিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশ নিয়ে এই প্রস্তাব দেয় দলটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় চার নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব প্রস্তাব দেয়।

ইসলামী ফ্রন্টের দেয়া প্রস্তাবগুলো হলো, যথাসময়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা, নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সম্পূর্ণটাই বাংলায় করা, বিদ্যামান আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা, বিদেশে অবস্থানরত প্রাপ্তবয়স্ক সকল নাগরিককে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া, নারীদের প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্বাহী কমিটিতে নির্দিষ্ট সীমিত কোটায় না রেখে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের অঙ্গ কিংবা সহযোগী সংগঠন গঠন করে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া, নির্বাচন অনুষ্ঠানকালে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়োগ করা, বিদ্যমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনে প্রার্থীভিত্তিক নির্বাচনের পরিবর্তে সারা দেশে দল ও প্রতীক ভিত্তিক নির্বাচন করা।

এক্ষেত্রে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্বাচন কমিশন প্রত্যেক দল থেকে সাংসদ নিয়োগ দিতে পারেন, সুষ্ঠ নির্বাচন করার লক্ষে সংসদয়ী এলাকার বিদ্যমান প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পর্যবেক্ষক টিম গঠন, নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনা, নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধায়নে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের প্রকাশ্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়ে সম্মুখ বিতর্কের ব্যবস্থা করা।

এর আগে সকাল এগারোটায় সংলাপ শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলটির মহাসচিব এম এ মতিন। আজ বিকাল তিনটায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপে বসার কথা নির্বাচন কমিশনের।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন সংস্কার, সীমানা পুনঃনির্ধারণসহ ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে সংলাপের আয়োজন করে ইসি। গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। পরে ১৬ ও ১৭ আগস্ট অর্ধশত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সংলাপ করে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করে ইসি। ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে ২৪ আগস্ট থেকে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু করে ইসি। ঈদের আগে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে করেছে ইসি।

সর্বশেষ সংবাদ