16 C
Dhaka
বুধ জানুয়ারী ১৬, ২০১৯, ৫:৪৮ পূর্বাহ্ন.
প্রচ্ছদ ব্লগ সংবাদ পেজ 3

ডিগবাজি দিয়েও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন না শমশের মবিন

ডিগবাজি দিয়েও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন না শমশের মবিন

ছিলেন ডাক সাইটের কূটনৈতিক। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ‍কূটনৈতিক উইংয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও ছিলেন। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার ঘোষণা দিলেন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমশের মবিন চৌধুরী। এরপর একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বি চৌধুরীর বিকল্পধারায় যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে দলটির সংলাপেও ছিলেন তিনি। প্রত্যাশা ছিল সিলেট সদর আসন বা সিলেট-৬ আসন থেকে মনোনয়ন পাবেন।

কিন্তু রোববার ঘোষিত তালিকায় সিলেট সদর আসনে অর্থমন্ত্রীর ছোট ভাই ও সাবেক কূটনৈতিক, জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে মোমেন মনোনয়ন পান।

অন্যদিকে সিলেট-৬ আসনে মনোনয়ন পান শিক্ষামন্ত্রী ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়লেন তিনি।

অন্যদিকে সিলেট-৬ আসনে মহাজোট থেকে তার প্রার্থিতার কথা শোনা গেলেও অবশেষে এ আসন থেকে শিক্ষামন্ত্রী ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদকেই মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ কারণে বেশ ক্ষুব্ধ শমশের মবিন চৌধুরী। তিনি বিকল্পধারা থেকে এ আসনে মনোনয়ন জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে মৌলভীবাজার-২ আসনেও বিকল্পধারার প্রার্থী এমএম শাহীনের ভাগ্য ঝুলে আছে। বিএনপির সাবেক এই সংসদ সদস্য বেশ কয়েকদিন আগে মনোনয়ন পাবার আশায় বিকল্পধারায় যোগ দেন। এই আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নপ্রত্যাশী সুলতান মনসুর।

তবে এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে গতরাত পর্যন্ত কারো নাম ঘোষণা করা হয়নি। এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির এরশাদের দ্বারস্থ হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য নবাব আলী আব্বাস।

শমশের মবিন চৌধুরী মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি সিলেটসহ সারাদেশেই বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রোববার এটা ছিল ‘টক অব দ্য সিটি’।

সিলেট সদর বা সিলেট-৬ আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের সুযোগ কম বলেই জানা গেছে। সুত্র ঃ নয়া দিগন্ত

বিএনপির মনোনয়ন নিশ্চিত হয়েছে যাদের

বিএনপির মনোনয়ন নিশ্চিত হয়েছে যাদের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শেষে খসড়া তালিকা তৈরিতে টানা তিনদিন বৈঠক করে পার্লামেন্টারি বোর্ড। শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত তারা এ বৈঠক করেন।

এ তালিকায় প্রতিটি আসনে দুই বা তিনজন করে সম্ভাব্য প্রার্থী রাখা হয়েছে। তবে প্রায় অর্ধশত আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। কোনো কারণে তাদের প্রার্থিতা বাতিল হলে ওই আসনটি যাতে শূন্য না থাকে সে জন্য বিকল্প হিসেবে একজন করে ডামি প্রার্থী রাখা হয়েছে।

যেসব আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে তার মধ্যে আছেন- ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভোলা-৩ মেজর (অব.) এম হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুর-৩, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, চট্টগ্রাম-১০ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

এছাড়া অন্যান্য আসনে যারা চূড়ান্ত হয়েছেন আজ-কালের মধ্যে এ খসড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পাঠানো হতে পারে। ওই তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন তারেক রহমান।

খসড়া তালিকায় যাদের নাম থাকবে তাদের দলীয় মনোনয়ন ফরম দেয়া হবে। আজ-কালের মধ্যে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ ফরম ছাড়ার সম্ভাবনা আছে।

তবে প্রতিটি আসনে বিকল্প রেখেই এ তালিকা তৈরি হচ্ছে। চার দিনের সাক্ষাৎ শেষে পার্লামেন্টারি বোর্ড টানা তিন দিন বৈঠক করে এ খসড়া তালিকা তৈরি করে।

সূত্র জানায়, ২০ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্য যেসব আসনে ছাড় দেয়া হবে, সে তালিকাও তৈরি করেছে বিএনপি। ২০ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬০টি আসনে ছাড় দেয়া হতে পারে।

জোট ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবে বিএনপি। আজ-কালের মধ্যেই এ বৈঠক হবে। জোট ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কিছু আসনে এখনও সমঝোতা হয়নি। আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

এরপর দল, জোট ও ফ্রন্টের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তবে কৌশলগত কারণে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থী ঘোষণার পর তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তৃণমূলের মতামত এবং সবকিছু বিবেচনা করে যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে। অতীতে দলের প্রতি তার কতটা অবদান আছে সে বিষয়টিও প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ বিবেচনায় আনা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, শরিক ও ফ্রন্টের সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হয়নি। শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

প্রার্থী চূড়ান্তে বড় ধরনের সমস্যা হবে না। যাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবে তাদেরকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারিত হলেও মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর।

বাছাই ২ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ৯ ডিসেম্বর। প্রার্থীর নাম ঘোষণার ক্ষেত্রে বিএনপি প্রায় শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ঝুঁকি এড়াতে আপাতত একাধিক বিকল্প প্রার্থীর মনোনয়নপত্র কমিশনে জমা দিলেও চূড়ান্তভাবে একজনকে রেখে বাকিদের প্রত্যাহার করতে বলা হবে।

প্রার্থীদের কাছ থেকে আগেই এ ব্যাপারে হলফনামা বা অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করিয়ে রাখা হবে। যাতে বিএনপি চিঠি দিলেও একটি বাদে অন্য প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার হয়ে যায়।

সূত্র জানায়, প্রায় প্রতিটি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থী রাখা হবে। কোনো কারণে প্রথম পছন্দের প্রার্থিতা বাতিল হলে দ্বিতীয়জনকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হবে। দলের পাশাপাশি জোট বা ঐক্যফ্রন্টের আসনেও বিকল্প প্রার্থী রাখার চিন্তাভাবনা চলছে। সূত্র: যুগান্তর।

আওয়ামী লীগের কিছু অপাংক্তেয় নেতা গণফোরামে যোগ দিয়েছেন

আওয়ামী লীগের কিছু অপাংক্তেয় নেতা গণফোরামে যোগ দিয়েছেন

গত কয়েকদিনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন পরিত্যক্ত নেতা গণফোরামে যোগদান করেছেন। সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এ কে খন্দকার, মেজর জেনারেল (অব.) আসমা আমিনসহ আরও কিছু আওয়ামী লীগের অপাংক্তেয় নেতা গণফোরামে যোগ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাবেক এই পরিত্যক্ত নেতাদের গণফোরামে যোগ দেওয়াতেই দলটির নেতারা মনে করছে, তারা অচিরেই দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। গণফোরামের একাধিক নেতা বলছে, ‘চমক এখনো বাকি আছে, আওয়ামী লীগ থেকে আরও অনেকে গণফোরামে যোগ দিবেন অপেক্ষা করুন।’

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ থেকে যারা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই সহজে মনোনয়ন পাওয়ার জন্যে গণফোরামের ঠিকানা খুঁজছেন। কারণ তাঁরা মনে করছেন, গণফোরামে যোগ দিলে হয়তো তাঁরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে তীব্র প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে পারবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে বলেন, ‘এটা হচ্ছে আদর্শহীন রাজনীতির উদাহরণ। কিন্তু ড. কামাল হোসেন সবসময় বলেন যে, তিনি আদর্শের রাজনীতি করেন, সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করেন। অন্যদলের পরিত্যক্ত নেতাদের দলে নেওয়া কতটা গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার সম্মত ড. কামাল হোসেনের কাছে প্রশ্ন আসতেই পারে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, ‘গণফোরাম কতগুলো সুনির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে তাঁদের দলে লোক নিচ্ছেন। যারা গণফোরামের নীতি আদর্শে বিশ্বাস করে তাঁদের জন্যে গণফোরামের দরজা সবসময় খোলা।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণফোরাম বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে চায়, ৭২ এর সংবিধানে দেশকে ফিরিয়ে নিতে চায়। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিতে চায়। যারা মনে করেন আওয়ামী লীগ এখন বঙ্গবন্ধুর চেতনা এবং আদর্শ থেকে দূরে সরে এসেছে, তাঁরা যদি গণফোরামে যোগদান করেন, তাহলে গণফোরামের আদর্শচ্যুতি ঘটবে না।’

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানাচ্ছে, যে সমস্ত এলাকায় অনেক জনপ্রিয় প্রার্থী, যারা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান নাই। তাঁদের দিকেই এখন গণফোরাম টার্গেট করেছে। যেমন পাবনা ১ আসনে শামসুল হক টুকুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, সেখানে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ একজন জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে গণফোরাম মনে করছেন। এখন গণফোরাম তাঁর দিকে হাত বাড়িয়েছে। কুষ্টিয়া অঞ্চলে ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে মনে করছে গণফোরাম। গণফোরামের নেতারা ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

২০০৭ সালে ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদকে ধানমন্ডির একটি আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছিল। ড. কামাল হোসেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে গণফোরামের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আওয়ামী লীগের যারা সম্ভাবনাময় প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি, এমন অনেক আওয়ামী লীগের নেতার সঙ্গে গণফোরাম গতকাল এবং আজ যোগাযোগ করেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, গণফোরামের মূল কাজ হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে মাঠে মনস্তাত্ত্বিক এবং সাংগঠনিক ভাবে দুর্বল করে দেওয়া। এমন লোকজনকে যদি আওয়ামী লীগ থেকে গণফোরামে নেওয়া হয়, তাহলে একদিকে আওয়ামী লীগ যেমন সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে, তেমনি মনস্তাত্বিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগের এইসব প্রার্থীরা মনোনয়নের প্রত্যাশায় গত ৫ বছর ধরে এলাকায় কাজ করেছেন। ফলে তাঁদের জন্য ভোট চাওয়াটা সহজ হবে।

গণফোরামের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গণফোরাম মনে করছে যে, বিএনপির সঙ্গে দরকষাকষি করার জন্য দল ভারী করা জরুরি। বিএনপি সবসময় মনে করছে, গণফোরাম রাজনৈতিক দল হিসেবে তেমন শক্তিশালী না। তাঁদের সাংগঠনিক কাঠামো অনেক দুর্বল। গণফোরামে এই সমস্ত নেতারা যোগ দিবে, তখন গণফোরামের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও প্রতিষ্ঠিত এবং মজবুত হবে। এর ফলে গণফোরাম বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে দরকষাকষির সুযোগ পাবে। সুতরাং এই দরকষাকষি এবং আগামী নির্বাচনে নিজেদের ভালো একটা অবস্থান জানান দিতে গণফোরাম আওয়ামী লীগকেই টার্গেট করেছে।

নির্বাচন নিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম

নির্বাচন নিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম

নির্বাচন কমিশনের আচরণ ও তড়িঘড়ি করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে পারে। বিরোধী দল ও জোটগুলোর পক্ষ থেকে বারবার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের দাবি করা হলেও এ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সে দিকে কোনো নজর নেই। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নিয়মিত গ্রেফতার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে তারা ঘরে থাকতে পারছে না। তাহলে কিভাবে তারা নির্বাচন করবেন? খবর নয়া দিগন্তের ।

গতকাল সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স আয়োজিত ‘নির্বাচনের রাজনীতি ও জনগণের ভোটাধিকার’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) সম্মলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সেমিনারে গেস্ট অব অনার ছিলেন, বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের একজন ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রি. জে. (অব:) ড. এম সাখাওয়াৎ হোসেন।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজুদ্দিন খান, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, ফেমার সভাপতি মুনিরা খান, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসাইন, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার ইকতেদার আহমদ, সাবেক বিজিবি প্রধান লে. জে. এম মইনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, জহির উদ্দিন স্বপন ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

গেস্ট অব অনার ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে নির্বাচন কমিশনের হাতে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তারা তাদের সে ক্ষমতা সম্পর্কে মোটেও সচেতন বলে মনে হয় না। এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিড তৈরি হয়নি। বিরোধী জোট ও দলের নেতাকর্মীরা এখনো জামিনের জন্য আদালতে ঘোরাঘুরি করছেন। অনেকে ঘরে থাকতে পারছে না। তাহলে তারা নির্বাচন করবেন কিভাবে? অন্য দিকে নির্বাচনে যারা প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বিকার। এটা কোনোভাবেই নির্বাচনী পরিবেশ হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অতিআগ্রহও বিভিন্ন সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে। কারা এ মেশিন বানিয়েছে বা এ মেশিনে কোথাও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না তা না জেনে তড়িঘড়ি করে এটি ব্যবহার করা হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতেই পারে। কারণ ইভিএম ব্যবহারে আমাদের ভোটাররা এখনো অভ্যস্ত নন। সাধারণ মানুষ যাতে তাদের ভোটাধিকারের যথাযথ ব্যবহার করতে পারে তা নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। আবার শুধু ভোট দিতে পারলে হবে না ভোট গণনায় জনগণের ভোটের প্রতিফলন থাকতে হবে। এটাই গণতন্ত্র। এটাই উন্নয়নের পথ। এটাই জনগণকে ক্ষমতায়নের পথ। আর জাতীয় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে সাধারণ মানুষের ওপর আস্থা রাখতে হবে।

মূল প্রবন্ধে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অনেক ইতিহাস আছে যে, নির্বাচন ফ্রি হলো কিন্তু ফেয়ার হলো না। দীর্ঘ লাইনে মূর্তির মতো শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন ভোট দেয়ার জন্য অথচ বুথে ঘটে অন্য ঘটনা। বুথে গিয়ে তাকে বলা হলো তুমি হাতে কালি মেখে চলে যাও আর ব্যালট পেপার দিয়ে দাওÑ এমন যেন না হয়।’ ‘এসব দেখার বিষয় ইসির। কিন্তু এখন ইসি নিজেরা মাঝে মধ্যে এমন সব কথা বলছেন যা তারা নিজেদের বিতর্কিত করে ফেলছেন। মনে রাখতে হবে বিশ্ব তাকিয়ে আছে আগামী নির্বাচনের দিকে। সরকারের অধীনে এর আগে নির্বাচন হলেও এবারই প্রথম দলীয় সরকারের অধীনে সব দল অংশ নিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ফ্রি ও ফেয়ার করতে ইসির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। একে গ্রহণযোগ্য করতে সব রকম সহযোগিতা করতে হবে সরকারকে।’

হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন তাদের ওপর অর্পিত ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন বলে মনে হয় না। যেখানে নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কেই ধারণা নেই সেখানে তারা স্বাধীনভাবে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কিভাবে করবেন। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির চেয়ে তারা ইভিএম নিয়ে বেশি তৎপর। অথচ তড়িঘড়ি করে জাতীয় নির্বাচনে এটি ব্যবহারের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমরা এখন একটি মারাত্মক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছি। ২০১৪ সালের মতো আবার একটি নির্বাচন হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের চরম লজ্জাজনক অবস্থায় পড়তে হবে। এখন যা পরিস্থিতি তাতে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে নির্বাচন যারা করতে চায় তারা নির্বাচন করতে পারবে কি না? যারা ভোট দিতে চান তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না? যাকে ভোট দিতে চান তাকে দিতে পারবেন কি না? আবার শুধু ভোট দিলে হবে না। এ ভোট গণনায় তাদের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে কি না। এভাবে পুরো প্রক্রিয়াটাকে গ্রহণযোগ্য করা যাবে কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। আর কমিশন যদি নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে তা করতে চায় তাহলেই তা সম্ভব। কিন্তু এ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের এ ভূমিকা কেউ দেখতে পাচ্ছে না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার ও ইটিভির আব্দুস সালাম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার ও ইটিভির আব্দুস সালাম

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিচ্ছেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের নেতা ও সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার।

আজ রোববার দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি যোগদান করবেন।

এ ছাড়া একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালামও গণফোরামে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

তারা দুইজনই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে দেখা করছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে ওই অনুষ্ঠানে আরও অনেকেই যোগদান করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় একে খন্দকারকে মন্ত্রী করা হয়। তাকে দেয়া হয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রায় ৩০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সবার নামে ইস্যু হয়েছে মনোনয়নের চিঠিও। আওয়ামী লীগের সভাপতির স্বাক্ষর করা মনোনয়ন চিঠি রোববার থেকে দলীয় সভাপতির কার্যালয় থেকে বিতরণ করা হবে। 

জানা গেছে, ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরীক দলগুলোর কাছে ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাও হস্তান্তর করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকায় যাদের নাম আছে- তারা হলেন- অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মন্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুব উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণচন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), একেএম শাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান)।

বাকি আসনের কিছু শরীকদের; যেগুলোর তালিকা সংশ্লিষ্ট দলের কাছে দেয়া হয়েছে। আর কিছু চিঠি ইস্যুর অপেক্ষায়।

গত ৯-১২ নভেম্বর টানা চারদিনে ৪ হাজারের বেশি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামী লীগ। এরপর টানা এক সপ্তাহ দলটি সভাপতির নেতৃত্বে মনোনয়ন বোর্ড বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে নিজেদের প্রার্থী তালিকা করেন। এরপরে দলীয় প্রধানের সঙ্গে শরিক দলগুলোর একাধিক বৈঠক করার পর তাদেরও আসন নিয়ে সুরাহা হয়। এখন সবই চূড়ান্ত হয়েছে।

মার্কিন দূতাবাস ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরিপ আ. লীগ ১৬৩, বিএনপি ১২৭ আসন পাবে

মার্কিন দূতাবাস ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরিপ

নির্বাচনে সময় যতই এগিয়ে আসছে, ততই প্রধান দুটি প্রতিপক্ষের মধ্যে ব্যবধান কমছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জমজমাট ভোটের লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সারাদেশে নির্বাচনের পরিবেশ, জনমত ইত্যাদি নিয়ে জরিপ করছে। মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই জরিপটি করেছে, দেশের বৃহত্তম একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। গত ১৫ নভেম্বর উন্নয়ন সংস্থাটি এই জরিপ রিপোর্টটি মার্কিন দূতাবাসকে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে, এই উন্নয়ন সংস্থা আরও দু-দফা জরিপ করবে বলে জানা গেছে।

জরিপে এখন নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট (জাতীয় পার্টিসহ) ১৬৩ টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে ১২৭ টি আসনে। বাকি ১০টি আসন অনিশ্চিত।

জরিপে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্তে জনমত উৎসাহিত। নির্বাচনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দল/জোটের মধ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, এখনো সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। ৩৭ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন, সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

১০ ভাগ উত্তরদাতা এ নিয়ে মন্তব্য করেননি। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ কিনা এ প্রশ্নের উত্তরেও ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন কমিশন এখনো নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। অবশ্য, ৩৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, কমিশন নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। ৮ ভাগ উত্তরদাতা মনে করছে, এ ব্যাপারে এখনই মন্তব্য করার সময় হয়নি। সরকার নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছে কিনা, এর উত্তরে অবশ্য ৬৭ ভাগ উত্তরদাতাই বলেছে, সরকার এখনো প্রভাব বিস্তার করছে না।

২৭ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন, সরকার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। ৬ ভাগ উত্তরদাতা এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নারী ভোটারদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছিল এবারের নির্বাচনে তারা ভোট দেবেন কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে ৭১ ভাগ উত্তরদাতাই বলেছেন, নির্বাচনে তারা ভোট দেবেন। নারীরা কি স্বেচ্ছায় ভোট দেবেন নাকি স্বামী/অভিভাবকের নির্দেশে ভোট দেবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে মাত্র ৪১ ভাগ নারী উত্তরদাতা বলেছেন, তারা স্বেচ্ছায় ভোট দেবেন। এক্ষেত্রে ৩৮ ভাগ বলেছেন তারা পরিবারে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। ২১ ভাগ নারী এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জরিপে প্রশ্ন ছিল তরুণ ভোটারদের জন্য। জরিপে এবার তরুণ ভোটারদের ভোটদানের উৎসাহ দেখা গেছে। উত্তরদাতা ৮২ ভাগই বলেছেন, তারা ভোট দেবেন। ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে নেবেন সে প্রশ্নের উত্তরেও ৬৯ শতাংশ বলেছেন, তারা নিজেরা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আলোচনা আলোচনা করে ভোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

তরুণদের উৎসাহ থাকলেও এবার নির্বাচনে প্রতিবন্ধী ভোটারদের উৎসাহ কম। উত্তরদাতা প্রতিবন্ধীদের মধ্যে মাত্র ১৬ ভাগ বলেছেন তারা ভোট দেবেন। অবশ্য ৩২ ভাগ বলেছেন ভোট দেবেন কিনা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। ৫২ ভাগই বলেছেন, তারা ভোট দিতে যাবেন না। এক্ষেত্রে তাদের সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবেশগত সমস্যা, ভোটকেন্দ্র প্রতিবন্ধী বান্ধব না হওয়া ইত্যাদি।

কিছু উপদেশ, যা সবার জেনে রাখা উচিত

কিছু উপদেশ, যা সবার জেনে রাখা উচিত
প্রতীকী ছবি

১. যার ইগো বেশি,তাকে ভালোবেসে ফেললেও দূরে সরে যান । সে আপনাকে কখনো শান্তিতে রাখবেনা ।
২. অধিক ভালোবাসা দেখানো কাউকে ভালোবাসতে যাবেন না । যে অধিক ভালোবাসা দেখাতে পারে, সে অধিক নিষ্ঠুর হওয়ার ক্ষমতা রাখে ।
৩. অন্যের কথা শুনে কাউকে ‘খারাপ’ ট্যাগ দিয়ে ফেলবেন না । মানুষটা আপনার সাথে কেমন আচরণ করছে সেটা মাথায় রাখুন । একজন মানুষ সবার সাথে ভালো হতে পারেনা,সবার সাথে খারাপ হতে পারেনা ।
৪. সুন্দরী রা সাবধান! তুমুল আলোয় অসংখ্য পোকামাকড় আসে । সেখানে জোনাকির আলো খুব কম ই দেখা যায়!
৫. ভালোবাসার পরেও যাকে বিশ্বাস করতে পারবেন না, নিজের উপর বিশ্বাস রেখে তার থেকে দূরে সরে আসুন ।
৬. যে প্রাক্তন হয়ে গেছে,তাকে নিয়ে ভাবাভাবি কম করুন । সে কিন্তু আপনাকে অতো ভাবে না!
৭. কাছের যে মানুষটা আনফ্রেন্ড করে দিয়েছে তাকে ব্লক দিন,আর যে ব্লক করে দিয়েছে তার উপর নজরদারি করা অফ করে দিন । ভালো থাকবেন ।
৮. কারো ‘ক্রাশ’ হয়ে গর্বে গর্ভবতী হবেন না । ক্রাশ পরিবর্তনশীল আর ক্রাশ রা কখনো ভালোবাসার মানুষ হতে পারেনা ।
৯. যে অবহেলা করছে তার কাছে বেহায়ার মতো বারবার যাবেন না । এতে আপনার দাম ও বাড়বে আর সে বুঝে যাবে আপনি সস্তা না ।
১০. স্মার্ট ছেলেদের থেকে সাবধান! তাদের প্রচুর ‘অপশন’ থাকে ।
১১.যে আপনাকে ভালোবাসে তাকেই আপনার ভালোবাসা উচিৎ।

দাদা সালমান রহমান বাবা নাজমুল হুদাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে ধানের শীষে অন্তরা হুদা

দাদা সালমান রহমান বাবা নাজমুল হুদাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে ধানের শীষে অন্তরা হুদা
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী ঘাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিল্পপতি সালমান এফ.রহমান। তারই ভাতিজা সাবেক বিএনপি নেতা ব্যরিস্ট্রার নাজমুল হুদা আর নাজমুল হুদার বড় মেয়ে অন্তরা হুদা। পারিবারিকভাবে তারা অনেকটা একই পরিবারেরই অংশ। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হবার লক্ষ্য নিয়ে একই পরিবারের তিনজনই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

তবে পার্থক্য হচ্ছে, সালমান এফ রহমান ও তার ভাতিজা চেয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন আর হুদা কন্যা অন্তরা হুদা চেয়েছেন বিএনপির ধানের শীষে মনোনয়ন। আবার সালমান এফ রহমান ও অন্তরা হুদা ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পত্র নিলেও তাদের আসন একই। দুজনেই ঢাকা-১ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন নিজ নিজ দলের কাছ থেকে।

অন্যদিকে নাজমুল হুদা নৌকার মনোনয়ন চেয়েছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে। অবশ্য তিনিও বলছেন, তাকে ঢাকা-১৭ আসন থেকে মনোনয়ন না দেয়া হলে তিনিও ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবেন। জানা যায়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র বিক্রির প্রথম দিনই ঢাকা-১ আসনের জন্য সালমান এফ রহমানের পক্ষে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তার ঘনিষ্টজন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন। একই দিন ব্যরিস্ট্রার নাজমুল হুদার পক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তারই ঘনিষ্ঠজন আক্কাস আলী খান। এছাড়া গতবুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নাজমুল হুদার বড় মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দোহার থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন। নাজমুল হুদা আওয়ামী লীগ ও মেয়ে অন্তরা হুদা বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করায় বিষয়টি রাজনৈতিকমহলে বেশ আলোচিত হচ্ছে।

তবে অন্তরা হুদার পক্ষে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা দোহার থানা যুবদলের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন যুক্তি দেখিয়ে বলেন, বাবা নাজমুল হুদা দল পরিবর্তন করলেও তার মেয়ে বিএনপিতেই আছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে তিনি সক্রিয়। দল মনোনয়ন দিলে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

ঐক্যফ্রন্টে ভাঙন: মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী আ’লীগে আসছেন?

মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী আ’লীগে আসছেন?
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দুজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একজন নেতাদের যোগাযোগের খবর পাওয়া গেছে। ঐক্যের দুই নেতাকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, যে প্রক্রিয়ায় ঐক্যফ্রন্টের বৃহত্তম শরিক বিএনপি পুরো জোটই দখল করে ফেলেছে তা নিয়ে দুজনের মধ্যেই অসন্তোষ আছে। এরই মধ্যে, সম্প্রতি বিএনপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে দুই ঐক্যফ্রন্ট নেতাই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। ঐক্যফ্রন্টের এই দুই নেতা হলেন, মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী।

মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী দুজনই ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের বিশ্বস্ত দুই সহচর বলেই পরিচিত। মোস্তফা মহসীন মন্টু হলেন ড. কামালের দল গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক। আর সুব্রত চৌধুরী হলেন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি। মূলত তাঁদের দুজনের কারণেই নিভু নিভু অবস্থায়ও টিকে ছিল গণফোরাম।

জানা গেছে, মোস্তফা মহসীন মন্টু ঢাকার কেরানীগঞ্জের দুটি আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু দুটি আসন বিএনপি দলীয় নেতাদের মনোনয়ন দিতে চায়। মন্টুর আগ্রহের একটি আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মনোনয়ন পেতে পারেন। আরেকটি আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান। বিএনপি কোনো অবস্থাতেই মন্টুকে দুটি আসন ছেড়ে দিতে রাজি নয় বলে জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত এই নিয়ে মন্টুর সঙ্গে বিএনপির নেতাদের কথা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি বলেই সূত্র জানিয়েছে।

আর সুব্রত চৌধুরী যে আসনে মনোনয়ন চান সেখানে বিএনপি মনোনয়ন দিতে ইচ্ছুক তাদের অপর জোট ২০ দলের শরিক এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে। জানা গেছে, অলি আহমেদ কোনো ভাবেই তাঁর আসন ছেড়ে দিতে রাজি নন। এছাড়া বিএনপি দাবি করেছে, ওই আসনে সুব্রত চৌধুরীর কোনো জনপ্রিয়তাও নেই।

এই পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একজন নেতা মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, দুজনই আজকের দিনটি সময় চেয়েছেন।

আজকের মধ্যে আসন নিয়ে যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে দুজনই আওয়ামী লীগে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে। আর এমনটি ঘটলে, তা হবে ঐক্যফ্রন্টের জন্য এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।

সর্বশেষ সংবাদ